শেরপুর জেলায় আগাম জাতের আমন ধান কাটা শুরু হয়েছে। সোনালি ফসল ভরা মাঠ থেকে ধান কেটে ঘরে তুলতে ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষকরা। শেরপুর সদর উপজেলাসহ সীমান্তবর্তী গারো পাহাড় এলাকার শ্রীবরদী, ঝিনাইগাতী ও নালিতাবাড়ী উপজেলার ফসলের মাঠে শোভা পাচ্ছে সোনালি পাকা ধান। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় আগম জাতীয় স্বল্প মেয়াদী এ রোপা আমন ধানের বাম্পার ফলন হয়েছে বলে মনে করছেন স্থানীয় কৃষকরা।
জেলা কৃষি বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, এ বছর শেরপুর জেলায় আমন ধান আবাদের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৯৩ হাজার ৬৯৩ হেক্টর জমি । তবে ধানের আবাদ হয়েছে লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৪ হেক্টর বেশি জমিতে। শেরপুর জেলায় আগাম জাতের আমন ধান হিসেবে সাধারণত বিনা ১৭, ব্রি ধান-৭৫ সহ স্বল্প মেয়াদী ও উচ্চ ফলনশীল জাতের আমন ধান চাষ করা হয়। এছাড়া স্থানীয়ভাবে চাষি পর্যায়ে বিভিন্ন স্বল্পমেয়াদি ও উন্নত জাতের ধান আবাদ করা হয়ে থাকে। আগাম জাতের ধান চাষ করার অনেকগুলো সুবিধা রয়েছে। ধান কাটার পর ওই জমিগুলোয় রবি মৌসুমের বিভিন্ন ফসলের আবাদ করা যায়।
স্থানীয় কৃষকরা জানান গতবারের তুলনায় এ বছর আগাম আমন ধানের আবাদ ভালো হয়েছে। ধান কেটে একই জমিতে পরবর্তী সময়ে তারা আবার সরিষা, ডাল জাতীয় ফসল, গোল আলু, ভুট্টা কিংবা অন্যান্য রবি ফসল ও শীতকালীন নানা সবজি আবাদ করতে পারবেন ।
শেরপুর জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মো. সাখাওয়াত হোসেন জানান, এ বছর জেলায় লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে একটু বেশি জমিতে রোপা আমন আবাদ হয়েছে। এছাড়া আগাম জাতের ফলনও দীন দীন বাড়ছে । কারণ কৃষকরা বাড়তি রবি ফসল আবাদ করে বেশ লাভবান হচ্ছেন।