নওগাঁ শহরের মধ্য দূর্গাপুর গ্রামে ১০/১১ বছর আগে স্বামীর লাগিয়ে দেয়া আগুনে অগ্নিদগ্ধ হওয়া এক প্রতিবন্ধী মহিলাকে পুনরায় আমানষিক নির্যাতন চালানো হয়েছে। স্ত্রী'র বিনা অনুমতিতে দ্বিতীয় বিয়ে করার কারণে শাহনাজ বেগম নামের বড় স্ত্রীকে অকথ্য নির্যাতন চালিয়েছে স্বামী সাইদুল ইসলাম, ভাসুর আব্দুর রশিদ এবং জা আব্দুর রশিদের স্ত্রী নূর এ জান্নাত।
স্থানীয় এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, ১৭ বছর আগে আজাদুল ইসলামের কন্যা উক্ত শাহনাজ বেগমের সাথে সাইফুল ইসলামের বিয়ে হয়। এখন ১০/১২ বছর আগে দ্বিতীয় বিয়ে করতে বাধা দেয়ায় সাইদুল ইসলাম স্ত্রী শাহনাজকে শারিরীক নির্যাতনের পাশাপাশি গায়ে আগুন লাগিয়ে দেয়। এতে শরীরের বিভিন্ন অংশ এবং দুই হাত মারাত্মকভাবে দগ্ধ হয়। এরপর স্বামী বিদেশ চলে যায়। দীর্ঘদিন বিদেশ থেকে ফিরে এসেই শুরুরদ করে আবার নির্যাতন। এরই ধারাবাহিকতায় ২৯ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার স্বামী ভাসুর এবং বড় জা শাহনাজের বাড়িতে গিয়ে হামলা চালায়। বিছানায় আগুন ধরিয়ে দেয়। প্রচন্ড নির্যাতন চাণায়। পরনের কাপড়চোপর ছিঁড়ে ফেলে।
ভুক্তভোগী শাহনাজ বেগম বলেন, দ্বিতীয় বিয়ে করতে বাধা দিলে আমাকে আগুনে পুড়ে মেরে ফেলার চেষ্টা করছে। তিনি আরও বলেন আমাকে আগুনে পুড়ে মেরে ফেলতে না পেরে বিভিন্ন নির্যাতন করছেন। আমি অগ্নি দগ্ধ প্রতিবন্ধী আমি আমার স্বামীর এই নির্যাতনের বিচার দাবী করলেন প্রতিবন্ধী স্ত্রী।
ভুক্তভোগী শাহনাজ বেগমের মা বলেন,এই নির্যাতনের সংবাদ পেয়ে গ্রামের প্রতিবেদীরা ছুটে আসেন। নির্যাতন দেখে প্রতিবেশীরা কষ্ট পান। স্থানীয় এক প্রতিবেশী নারী বলেন, প্রতিবন্ধী অসহায় দরিদ্র পরিবারের উপর এ ধরনের নির্যাতনের ঘটনায় প্রতিহত করতে গিয়ে তাকেও লাঞ্চিত করা হয়েছে বলেন এলাকাবাসী নওগাঁ সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান বলেন, বিষয়টি আমার জানা নেই। তবে প্রতিবন্ধী ঐ নারী অভিযোগ দিলে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানান।