শিক্ষামন্ত্রী হচ্ছেন এহছানুল হক মিলন

এফএনএস (মিজানুর রহমান; চাঁদপুর) :
| আপডেট: ১৭ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬, ০৭:৫২ এএম | প্রকাশ: ১৭ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬, ০৭:৫২ এএম
শিক্ষামন্ত্রী হচ্ছেন এহছানুল হক মিলন

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ের পর নতুন সরকার গঠনের প্রক্রিয়া এখন চূড়ান্ত পর্যায়ে। মন্ত্রিসভার কাঠামো নির্ধারণ ও গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়গুলোর দায়িত্ব বণ্টন নিয়ে দলীয় উচ্চপর্যায়ে চলছে নিবিড় আলোচনা। বিশেষ করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব কার হাতে যাচ্ছে, তা নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গন, শিক্ষা মহল ও সাধারণ মানুষের মধ্যে তৈরি হয়েছে ব্যাপক কৌতূহল। শিক্ষা অঙ্গনে সবচেয়ে বেশি আলোচনা হচ্ছে চাঁদপুর জেলার কচুয়ার কৃতি সন্তান  ড. আনম এহছানুল হক মিলনকে ঘিরে। তিনি এর আগে শিক্ষা প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব সফলভাবে পালন করেছেন। শিক্ষা ক্ষেত্রে তার অবদান সর্বজন বিদিত। দলের জ্যেষ্ঠ ও অভিজ্ঞ নেতাদের পাশাপাশি নতুন প্রজন্মের রাজনীতিকদেরও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে আসন্ন মন্ত্রিসভায়। দলীয় সূত্রে জানা গেছে, সাবেক শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলনও স্থান পাচ্ছেন মন্ত্রিসভায়। বিএনপির শীর্ষ পর্যায় সূত্রে জানা গেছে, দলের গুরুত্বপূর্ণ এই নেতাকে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে। বিশেষ করে, তিনি আগে শিক্ষা প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব সফলভাবে পালন করেছেন। ফলে তাকে আবারও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পূর্ণমন্ত্রী করা হতে পারে বলে আলোচনা চলছে। আজ মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ বাক্য পাঠ করাবেন রাষ্ট্রপতি মো. শাহাবুদ্দিন। এর আগে নবনির্বাচিত কিশোর সদস্যদের শপথ। উল্লেখ্য, ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন এবারের নির্বাচনে চাঁদপুর-১ (কচুয়া) আসনে ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী হয়ে বিপুল ভোটে জয়লাভ করেন। তিনি এই আসনে মোট ১ লাখ ৩৩ হাজার ১৬২টি ভোট পেয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী, দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের আবু নসর আশরাফী পেয়েছেন মাত্র ৬৭ হাজার ৭৭টি ভোট। ওই আসনের ১১০টি ভোটকেন্দ্রের ফল ঘোষণা শেষে এ জয়ের তথ্য জানানো হয়। ২০০১ থেকে ২০০৬ সালের মেয়াদে তিনি শিক্ষা প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। সে সময় তিনি তার কর্মতৎপরতার জন্য বিশেষভাবে আলোচিত ছিলেন। পরীক্ষাকেন্দ্রগুলোতে নকলমুক্ত ও শৃঙ্খলাপূর্ণ পরিবেশ নিশ্চিতে তিনি নিজেই হঠাৎ করে বিভিন্ন কেন্দ্রে হাজির হতেন। এক কেন্দ্র থেকে আরেক কেন্দ্রে দ্রুত পৌঁছাতে তিনি নিজের অর্থে ভাড়া করা হেলিকপ্টার ব্যবহার করতেন। তার দায়িত্বকালীন ছয় বছরে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর গড় পাসের হার ছিল প্রায় ৪৪ দশমিক ১২ শতাংশ। সাবেক শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন চাঁদপুর-১ (কচুয়া) আসনে ধানের শীষ প্রতীকে এক লাখ ৩৩ হাজার ১৬২ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। আগে শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালনের অভিজ্ঞতা ও মন্ত্রণালয় পরিচালনায় বাস্তব দক্ষতার কারণে তাকে পূর্ণাঙ্গ শিক্ষামন্ত্রী করার আলোচনা জোরালো হয়েছে। দলীয় একটি সূত্রের ভাষ্য, প্রশাসনিক সক্ষমতা ও পূর্ব অভিজ্ঞতার বিবেচনায় তিনি গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পেতে পারেন।

আপনার জেলার সংবাদ পড়তে