আশাশুনি উপজেলার বুধহাটা থেকে পাইথালী সড়কের বিভিন্ন অংশে ভাঙাচোরা ও বেহাল দশার অবসান না হওয়ায় জনভোগান্তি লেগেই আছে।আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভায় সংস্কারের সিদ্ধান্ত হলেও শুরু হয়নি কাজ।
গুরুত্বপূর্ণ সড়কটিতে অসংখ্য স্থানে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি এবং পিচ উঠে যাওয়ায় প্রতিদিন হাজার হাজার পথচারী চরম দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন। সামান্য বৃষ্টিতেই পানি জমে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ছে। রিকশা, ভ্যান, ইজিবাইক, মোটরসাইকেলসহ সকল প্রকার যানবাহন চলাচলে প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটে থাকে। রাস্তায় চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ায় গ্রামের ছোট পথ বেছে নিয়েছে তারা।ফলে সে পথেও প্রতিদিন ঘটছে দূর্ঘটনা।
স্থানীয় কৃষিপণ্য ও উৎপাদিত মালামাল বাজারে আনা-নেয়া করতে অতিরিক্ত খরচ ও সময় লাগছে। পথচারী ইদ্রিস সরদার, রানা মোড়ল সহ একাধিক ব্যক্তি জানান, রাস্তার অবস্থা খুবই খারাপ। জরাজীর্ণ অবস্থার কারণে ভিন্ন পথ বেছে নেন তারা। ফলে তাদের যাতায়াত খরচ বাড়তি ও ভোগান্তি দুইটাই বেড়েছে।
গাড়ি চালক ইমন রাজা জানান, প্রতিদিন দুই তিনবার এই রাস্তা দিয়ে গাড়ি নিয়ে যাতায়াত করি। রাস্তা বসে এতটাই গভীরে পরিণত হয়েছে যে গাড়ি নিয়ে চলাচল ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। এতে ভিন্ন পথে পাড়ি দিতে হচ্ছে তাদের। স্থানীয় চেয়ারম্যান, এলজিইডি কর্মকর্তাদের গাফিলতির কারণে এমন হচ্ছে বলে দোষারোপ করেছেন স্থানীয় পথচারীরা।
এলাকাববাসীর দাবি দ্রুত সড়কটি সংস্কার বা পুনর্র্নিমাণ করা হোক। ভারী যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ করে যাত্রীদের নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করা হোক। স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) বা সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদের মাধ্যমে সড়কটি সংস্কারের জন্য এলাকাবাসী জোর দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে স্থায়ীভাবে মেরামতের পদক্ষেপ নেওয়ার প্রত্যাশা করছেন সাধারণ মানুষ।
উপজেলা ইঞ্জিনিয়ার অনিন্দ্যদেব সরকার জানান, আমরা গাজীরমাঠ বাজার পর্যন্ত ২৫০০ মিটার মাপ জরিপ করে উর্দ্ধতন কতৃপক্ষকে পাঠিয়েছি। বাজেট হলে দ্রুত কাজ শুরু করা হবে। তবে সংস্কারের জন্য অনুমোদন হলে দ্রুত কাজ শুরু করা হবে। উপজেলা নির্বাহী অফিসার শ্যামানন্দ কুন্ডু জানান, মহিষকুড় ও বাঁশতলা রাস্তার কাজ শেষ হয়েছে। আশাশুনি সদরের সোনালী ব্যাংকের সামনের রাস্তার কাজ সংস্কার শেষে বুধহাটা টু পাইথালী সড়কের কাজ শুরু করা হবে।