বরিশাল নগরীর কেডিসি এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযানের গোপনীয় তথ্য মাদক ব্যবসায়ীদের কাছে ফাঁসের অভিযোগে অভিযুক্ত পুলিশ কনস্টেবল ফারুক হোসেনকে ভবিষ্যতে কোনো মাদকবিরোধী অভিযানে না রাখার দাবি জানিয়েছে স্থানীয় সচেতন মহল।
বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, বরিশাল নগরীর কেডিসি আব্দুর রাজ্জাক কলোনিতে ২০২৫ সালের জুলাই মাসে মাদকবিরোধী একটি বড় যৌথ অভিযান পরিচালনা করে কোতোয়ালি মডেল থানা ও গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। অভিযোগ ওঠে, ডিবিতে কর্মরত কনস্টেবল ফারুক হোসেন অভিযানের অত্যন্ত গোপনীয় তথ্য আগেই মাদক ব্যবসায়ীদের কাছে ফাঁস করে দেন। বিষয়টি প্রাথমিক তদন্তে প্রমাণিত হওয়ায় তাকে তাৎক্ষনিক ক্লোজড করে বরিশাল পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়েছিল। পরবর্তী সময়ে কনস্টেবল ফারুক বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের (বিএমপি) কাউনিয়া থানায় পুনরায় যোগদান করেন। তবে অতীতে তথ্য ফাঁসের ঘটনায় তার সরাসরি সম্পৃক্ততা থাকায় তাকে নতুন করে কোনো অভিযানে রাখা নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করেছেন স্থানীয়রা।
সচেতন নগরবাসী জানিয়েছেন, মাদকবিরোধী অভিযানে তিনি (ফারুক) সম্পৃক্ত থাকলে আবারও গোপন তথ্য ফাঁস করে দিলে অভিযান ব্যর্থ হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এ অবস্থায় বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার আবু রায়হান সালেহ এবং মেট্রোপলিটন পুলিশের উত্তর বিভাগের দায়িত্বে থাকা উপ-পুলিশ কমিশনার এমদাদ হোসেনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন সচেতন নাগরিকরা। মাদক নির্মূলে অভিযানের সফলতা ও গোপনীয়তা বজায় রাখতে কনস্টেবল ফারুক হোসেনকে যেকোনো ধরনের মাদকবিরোধী কার্যক্রম থেকে দূরে রাখার জোর দাবি জানিয়েছেন তারা।
তবে অভিযোগের ব্যাপারে কনস্টেবল ফারুক হোসেন বলেন, একটি মহল আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে। অভিযোগের সাথে আমার কোনধরনের সম্পৃক্ততা ছিলোনা এবং ভবিষ্যতেও থাকবেনা।