১৬ আগস্টের মধ্যে হিমাগার ভাড়া নির্ধারণ না হলে রংপুরে রাজপথে জোরালো আন্দোলনসহ সকল হিমাগার থেকে আলু বের করে নেয়ার হুমকি দিয়েছে আলু চাষী ও ব্যবসায়ীরা। বুধবার (১২ আগস্ট) দুপুরে রংপুর জেলা আলু চাষী ও ব্যবসায় সমিতির সভাপতি তৈয়বুর রহমানের নেতৃত্বে সংগঠনের সদস্যরা কৃষি বিপণন বিভাগীয় কার্যালয় ঘেরাও করে বিক্ষোভ করে। এরপর দপ্তরের উপ-পরিচালক এমএন আলমগীর বাদশার কাছে স্বারকলিপি প্রদান করেন তারা।
স্বারকলিপিতে বলা হয়, কৃষি বিপণন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক কর্তৃক হিমাগারের যৌক্তিক ভাড়া নির্ধারণের সুপারিশ কমিটি পাঠানো সুপারিশ চলতি বছরের ১৫ জুলাই স্বাক্ষরিত হয়ে ২০ জুলাই সংশ্লিষ্ট দপ্তরে পাঠানো হয়। ২০২৬ সালে মৌসুমের এক তৃতীয়াংশ সময় পার হয়ে যাওয়ায় সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করা অতীব জরুরী।
আলু চাষী ও ব্যবসায়ীরা জানান, সুপারিশ কমিটি রংপুরের ৬টি হিমাগার সরেজমিনে তদন্ত করে আলু সংরক্ষণে কেজি প্রতি সর্বোচ্চ ৩ টাকা ৯৭ পয়সা থেকে শুরু করে সর্বনিম্ন ২ টাকা ৯৮ পয়সা পর্যন্ত হিমাগার মালিকরা খরচ দেখিয়েছেন। সুপারিশ কমিটির সভায় তারা আলু সংরক্ষণের কেজি প্রতি খরচের কথা জানালেও হিমাগারের জমির মূল্য, স্থাপনা খরচ, ব্যাংক ঋণ ও সুদের হিসাব অন্তর্ভূক্ত করতে সময় চেয়ে সুপারিশ কমিটির সভায় রেজুলেশনে স্বাক্ষর করেনি। কৃষি বিপণন অধিদপ্তর সেই হিমাগার মালিকদের স্বাক্ষর ছাড়াই সুপারিশ অধিদপ্তরে পাঠিয়ে দিয়েছে। ফলে এখন পর্যন্ত হিমাগার ভাড়া নির্ধারণের সিদ্ধান্ত ঝুলে আছে।
তারা আরও জানান, আগামী ১৬ আগস্টের মধ্যে রংপুর জেলার হিমাগার ভাড়া নির্ধারণ না হলে রাজপথে আলু চাষী ও ব্যবসায়ী কঠোর আন্দোলন গড়ে তুলবে। সেই সাথে ৫ টাকা কেজি দরে হিমাগার ভাড়া পরিশোধ করে সব আলু হিমাগার থেকে বের করে নেয়া হবে। এতে আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি হলে দায়ী থাকবে কৃষি বিপণন অধিদপ্তর।