সৈয়দপুরে দিনে হালকা রোদ রাতে ঠান্ডা হাওয়া

এফএনএস (ওবায়দুল ইসলাম; সৈয়দপুর, নীলফামারী) : ঃ | প্রকাশ: ১২ জানুয়ারী, ২০২৬, ০৫:৩১ এএম
সৈয়দপুরে দিনে হালকা রোদ রাতে ঠান্ডা হাওয়া

নীলফামারীর সৈয়দপুরের আকাশে দিনে হালকা  রোদের দেখা মিললেও রাতে বইছে কনকনে ঠান্ডা হাওয়া। গত এক সপ্তাহ ধরে এ এলাকায় ছিল প্রচন্ড ঠান্ডা। শীতের দাপটে অসহায় মানুষজন ছিল একটা বড় আতংকে। কিভাবে তারা শীত নিবারণ  করবে এ আতংকে ভুগছিলেন। তবে কনকনে শীতে গভীর রাতে বসে থাকেননি নীলফামারী জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ নায়িরুজ্জামান। তিনি শীতবস্ত্র নিয়ে ওই মানুষগুলোর পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন। এদিকে সৈয়দপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফারাহ ফাতেহা মিল-- তিনিও এই শীতে দিনে ও রাতে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন শীতবস্ত্র নিয়ে। তাদের সহযোগিতায় কিছুটা হলেও শীতার্ত মানুষ উপকৃত হয়েছেন। তবে এখনো দিনে কম থাকলেও সন্ধ্যার পর ঠান্ডা বেড়ে যায়। কনকনে হাড় কাঁপানো ঠান্ডায় মানুষ বিশেষ প্রয়োজন ছাড়া সন্ধ্যার পর আর ঘর থেকে বের হয় না। নিম্ন আয়ের মানুষ ঠান্ডা থাকলেও কাজে থাকছে অনেক রাত পর্যন্ত। অটো চালক বলরাম চন্দ্র বলেন,আমি মানবিক বিভাগ থেকে এইচএসসি পাশ করেছি। গরীব হওয়ায় আর লেখাপড়া করতে পারি নাই। চাকুরীর চেষ্ঠা করেছি অনেক সরকারি দপ্তরে। টাকা না থাকায় চাকুরি হয়নি। পেটের দায়ে পরিবারের অভাব অনটনের কথা ভেবে এখন অটো চালাই। ভাড়া করা অটো চালিয়ে যা হয় তা দিয়ে সংসার চলে। কনকনে ঠান্ডায় আমারো মনটা চায় একটু আরামে ঘরে বসে থাকতে কিন্তু অভাব আমাকে টেনে নিয়ে কাজে। শীত হলেও বসে থাকার সুযোগ হয় না। তবে কাজে থাকি তাই আয় কম হলেও মনটা বেশভাল থাকে। সৈয়দপুর বিমান বন্দর আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা লোকমান হাকিম বলেন,এখনো তাপমাত্রা উঠানামা করছে ১০ থেকে ১২ ডিগ্রির মধ্যে। ঠান্ডায় বেড়েছে শীতজনিত রোগের প্রাদুর্ভাব। ফলে হাসপাতালগুলোতে রুগীর সংখ্যা দিন দিননবাড়ছে। বিশেষ করে শিশু ও বৃদ্ধরা আক্রান্ত হচ্ছে বেশি। ঘন কুয়াশার কারণে নষ্ট হচ্ছে বীজতলা, বেগুন,শিম,আলুসহ অনেক ফসলের ক্ষতি হচ্ছে এমন বললেন কৃষক জাহাঙ্গীর আলম।

আপনার জেলার সংবাদ পড়তে