ভারতে অবস্থানরত দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা যাতে বাংলাদেশে কোনো ধরনের অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরির চেষ্টা করতে না পারে, সে বিষয়ে সহযোগিতা চেয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন। এ বিষয়ে ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদীর সহযোগিতা চান তিনি।
বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) সকালে রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে মাহদী আমিনের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন দীনেশ ত্রিবেদী। বৈঠকে দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের সার্বিক উন্নয়ন এবং জনগণের মধ্যে যোগাযোগ বাড়ানোর বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়। এ সময় ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় দূতাবাসের ডেপুটি হাইকমিশনার পবন বাধেও উপস্থিত ছিলেন।
বৈঠকে বাংলাদেশ ও ভারতের গণতান্ত্রিক পরিবেশ ও মূল্যবোধ আরও সুসংহত করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সমতা, ন্যায্যতা ও ন্যায়বিচারের ভিত্তিতে দুই দেশের সম্পর্ককে টেকসই ও মর্যাদাপূর্ণ পর্যায়ে নেওয়ার বিষয়েও আলোচনা হয়।
ভারতে অবস্থানরত দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের প্রসঙ্গে মাহদী আমিনের পক্ষ থেকে সহযোগিতা চাওয়ার বিষয়টি বৈঠকে বিশেষ গুরুত্ব পায়। দেওয়া তথ্যে নির্দিষ্ট কোনো আসামির নাম বা তাঁদের পক্ষ থেকে অস্থিতিশীলতা তৈরির কোনো নির্দিষ্ট কর্মকাণ্ডের বিস্তারিত উল্লেখ করা হয়নি।
বৈঠকে বাংলাদেশ ও ভারতের বিদ্যমান বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ পারস্পরিক সংলাপ ও সহযোগিতার মাধ্যমে সমাধানের বিষয়েও গঠনমূলক আলোচনা হয়। দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের বহুমাত্রিক বিষয় নিয়েও মতবিনিময় করেন তাঁরা।
আলোচনায় শিক্ষা, স্বাস্থ্য, ক্রীড়া, সংস্কৃতি ও পর্যটন খাতে সহযোগিতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। পাশাপাশি ব্যবসা, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণের বিষয়েও আলোচনা হয়।
তথ্যপ্রযুক্তি ও উদ্ভাবনের সম্ভাবনার বিষয়টিও বৈঠকে উঠে আসে। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে সহযোগিতা আরও বাড়ানোর সুযোগ রয়েছে বলে উভয় পক্ষ মত দেন।
সাক্ষাৎটি দুই দেশের সম্পর্ক উন্নয়ন, জনগণের মধ্যে যোগাযোগ বাড়ানো এবং বিদ্যমান বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ সংলাপের মাধ্যমে সমাধানের বিষয়ে আলোচনার মধ্য দিয়ে শেষ হয়।