কাহারোলে মৎস্য অফিসে জনবল সংকট

এফএনএস (মোঃ আব্দুল্লাহ; কাহারোল, দিনাজপুর) : | প্রকাশ: ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ০১:০২ পিএম
কাহারোলে মৎস্য অফিসে জনবল সংকট

দিনাজপুরের কাহারোল উপজেলায় উপজেলা মৎস্য অফিসে জনবল সংকট দীর্ঘদিন থেকে। একজন অফিস সহকারী ও একজন অফিস সহায়ক দিয়ে চলছে মৎস্য অফিসটি। ৬টি ইউনিয়নের সেবা দিতে পারছে না মৎস্য চাষী ও মৎস্যজীবীদের। বিপর্যয়ে পড়েছে দাপ্তরিক ও মাঠ পর্যায়ের কাজ। উপজেলায় প্রায় ৩ হাজার ৯ শত ১৮  মৎস্য চাষী তাদের সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। জনবল কম থাকায় সেবা দিতে পারছে না মৎস্য বিভাগ।  উপজেলায় পুকুর সংখ্যা রয়েছে ৩হাজার ৯ শত ১৮টি। দীর্ঘ ২ বৎসর থেকে সহকারী মৎস্য অফিসার পদটি শূন্য রয়েছে। অন্যদিকে মৎস্য কর্মকর্তা প্রশিক্ষণে রয়েছেন বলে জানিয়েছেন উপজেলা মৎস্য অফিসের অফিস সহকারী। ২টি গুরুত্বপূর্ণ পদ শূন্য থাকায় উপজেলা মাছ চাষীরা পড়েছে বিপাকে। এদিকে মৎস্য কর্মকর্তা না থাকার কারণে চায়না দুয়ারী জাল ও বিভিন্ন প্রকার ফান্দি জাল দিয়ে অবৈধভাবে নদী, খাল-বিলে মাছ ধরছে কিছু অসাধু মৎস্যজীবী। কাহারোল উপজেলায় পুকুর ও জলাশয় রয়েছে ৪ ধরণের, পুকুর ও দীঘি, নদ-নদী ২টি, বিল ২টি মৎস্য চাষী রয়েছে প্রায় ৩ হাজার ৯ শত ১৮ জন। মৎস্য চাষী মতিউর রহমান বলেন, মৎস্য কর্মকর্তা না থাকায় অফিসে গিয়ে কোন লাভ হচ্ছে না, পরামর্শ না পেয়ে বিমুখ হয়ে ফিরে এলাম। 

বীরগঞ্জ উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা ফজল ইবনে কাওসার আলী কাহারোল উপজেলায় অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করছেন তিনি ২টি উপজেলায় দায়িত্ব পালন করতে হিমশিম খাচ্ছেন। তিনি বলেন, ২টি উপজেলার দায়িত্ব পালন করা খুবই কষ্টকর। সহকারী মৎস্য কর্মকর্তার শূন্য পদটি পূরণের জন্য উর্দ্ধতন কর্মকর্তাকে জানানো হয়েছে। কাহারোল উপজেলা একটি মৎস্য সম্ভাবনাময় উপজেলা। এখানে নদ-নদীসহ বিল ও পুকুর রয়েছে অনেক। কিন্তু মৎস্য অফিসে জনবল না থাকায় এই খাতের উন্নয়ন সম্ভব হচ্ছে না।

আপনার জেলার সংবাদ পড়তে