ঝিনাইদহ কালীগঞ্জ মহাসড়কের পাশে কলাহাটের ময়লা-আবর্জনা ফেলা হচ্ছে দীর্ঘদিন ধরে। আবর্জনার স্তুপ থেকে ছড়াচ্ছে দুর্গন্ধ। দূষিত হচ্ছে পরিবেশ। এতে পথচারীরা পোহাচ্ছেন দুর্ভোগ। ঢাকা খুলনা মহাসড়কের পাশে বিশাল কলার হাট বসে সপ্তায়ে দু,দিন আর এ দু,দিনের কলা হাটের ময়লা ফেলে রাখা হয় হাটের মধ্যখানে।এসব ময়লা অপসারণের বিষয়ে পৌরসভার দায়িত্বরত কর্মকর্তাদের পদক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।
সরেজমিনে দেখা যায়,বিভিন্ন যানবাহনের যাত্রী ও পথচারীরা নাক-মুখ চেপে মহাসড়কের ময়লার অংশ অতিক্রম করছেন। এতে ময়লা এসে পড়ছে মহাসড়কেও। ময়লার স্তুপ পার করে শিক্ষার্থীরা স্কুল-কলেজ, মাদ্রাসায়ং যাতায়াত করছেন।এই কলাহাটের পাশে রয়েছে সরকারি মাহাতাব উদ্দিন কলেজ, মসজিদ,বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও আবাসিক এলাকা রয়েছে।কালীগঞ্জ পৌরসভার কলাহাটের ময়লা-আবর্জনা ফেলার নির্ধারিত জায়গা থাকলে ও সেখানে ফেলা হয়না। জনদুর্ভোগের বিষয়ে নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা ময়লা অপসারনের জন্য স্টেশন কার্যকরী কোনো ব্যবস্থা নেননি।বর্তমানে সারা দেশে ড্গেু মশার প্রাদুর্ভাব বেড়েছে। ময়লা-আবর্জনা থেকে ড্গেু মশার আরও বংশ বিস্তারের আশঙ্কা রয়েছে। এ ছাড়া ময়লার দুর্গন্ধ ও রোগ-জীবাণু পথচারী এবং পরিবহনের যাত্রীদের স্বাস্থ্যে মারাত্মক স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে ফেলছে।
বিশেষ করে কলার বিভিন্ন ময়লা যত্রতত্র ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা ময়লা-আবর্জনার দুর্গন্ধে বর্ষার পানিতে পচণ লেগে দুর্ভোগ চরমে উঠেছে। অনেক জায়গায় নাকে রুমাল চেপে দুর্গন্ধের হাত থেকে রক্ষা মিলছে না।কালীগঞ্জ সরকারি মাহাতাব উদ্দিন কলেজের পাশের তিন রাস্তার মোড়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।এই কলাহাটের সর্বপাশে আবাসিক এলাকার বসবাস। সড়কের একটি গুরত্বপূর্ণ স্থান হচ্ছে কলেজ ও মসজিদ।প্রতি শুক্রবার ও শনিবার কলার হাটবসে এ হাটে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে বড় বড় ব্যবসায়িরা কলাকিনে দেশের বিভিন্ন স্থানে নিয়ে যায়্।দিনরাত ২৪ ঘন্টা শত শত মানুষকে এই মোড় পেরিয়ে তাদের বাসাবাড়িতে যাতায়াত করে। তাছাড়া প্রতিদিন হাজারো মানুষ এই মোড় অতিক্রম করে দূর-দূরান্তে যাতায়াত করে থাকে। পথচারীরা সেখান দিয়ে চলতে গেলে নাক চেপে ধরে বা রুমাল ধরে কিংবা দমবন্ধ করে দৌঁড়ে পার হয়। কালীগঞ্জ পৌরসভাটি প্রথম শ্রেনির পৌরসভা হলে ও কোন স্থানে ডাস্টবিন নেই। বাসাবাড়ি থেকে বর্জ্য সংগৃহীত হয় বলে এখন আর কোনো ডাস্টবিন চোখে পড়ে না। ময়লা সংগ্রহকারিরা নির্দিষ্ট কয়েকটি স্থানে আবর্জনা স্তুপ করে।বিশেষ করে শহরের কালিবাড়ির সামনে। এ ময়লা পৌরসভার গাড়িতে তুলার সময় প্রচন্ড গন্ধ ছড়িয়ে পড়ে।
কালীগঞ্জ পৌরসভার ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী কর্মকর্তা কবির হাচান বলেন, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা আগের চেয়ে অনেক ভালো। কিছু সীমাবদ্ধতা আছে, তবে তা দ্রুতই আমরা কাটিয়ে উঠব। ধীরে ধীরে আমরা সব ময়লা-আবর্জনা রাতেই পরিবহন করব।আগে জনগণকে সচেতন হতে হবে। নিজেদের বাড়ির আবর্জনা নিজেরাই পরিস্কার করে নির্দিষ্ট জায়গায় ফেলতে হবে।অনেকেই তাদের বাসাবাড়ির ময়লা পলিথিন ভর্তি করে বিভিন্ন সড়কের পাশে ফেলে রাখে, যা কুকুর টানাটানি করে আর পরিবেশ টা নষ্ট করে।