কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচরে ট্রেনে কাটা পড়ে এনায়েত উল্লাহ (৩৫) নামের এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। শনিবার (২২ আগস্ট) সকালে উপজেলার বড়খারচর রেলক্রসিংয়ের কাছে কিশোরগঞ্জ থেকে ঢাকাগামী এগারসিন্দুর প্রভাতী ট্রেনের নিচে কাটা পড়ে তাঁর মৃত্যু হয়। নিহত এনায়েত উল্লাহ কিশোরগঞ্জের বাজিতপুর উপজেলার দিলালপুর ইউনিয়নের নোয়াপাড়া গ্রামের আলফাস মিয়ার ছেলে। পরিবারের সদস্যরা তাঁর মরদেহ শনাক্ত করেছেন। পরিবার জানিয়েছে, এনায়েত উল্লাহ মানসিক প্রতিবন্ধী ছিলেন। ঘটনার পর ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে ভৈরব রেলওয়ে পুলিশ, কুলিয়ারচর থানা পুলিশ ও পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (পিবিআই)। তারা প্রয়োজনীয় তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করে মরদেহের সুরতহালের পর, রেলওয়ে থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা দায়ের পর। মরহেদ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এর আগে স্থানীয়দের মধ্যে এনায়েত কীভাবে রেললাইনে পড়েছেন, তা নিয়ে নানা প্রশ্ন দেখা দেয়। প্রত্যক্ষদর্শীদের কেউ কেউ ধারণা করেছিলেন, তিনি ট্রেনের ছাদ থেকে পড়ে থাকতে পারেন। তবে এ বিষয়ে নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। ঘটনাস্থল থেকে প্রায় ১০০ মিটার দূরে বড়খারচর রেলক্রসিং। ক্রসিংয়ের গেটম্যান প্রকাশ কুমার দাশ জানান, ট্রেন আসার আগে তিনি নিয়ম অনুযায়ী সড়কের দুই পাশের ব্যারিকেড নামিয়ে দেন। সে সময় রেললাইনের আশপাশে কাউকে দেখতে পাননি। তার ধারণা, লোকটি ট্রেনের ছাদ থেকে পড়ে থাকতে পারেন।তবে এনায়েত উল্লাহ কীভাবে রেললাইনে গিয়ে পড়েছিলেন এবং তাঁর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ কী, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ ও পিবিআই। ভৈরব রেলওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রফিকুল হাসান জানান, ঘটনার খবর পাওয়ার পর ঘটনাস্থলে যায় পুলিশ । পাশাপাশি পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) সদস্যরাও সেখানে গিয়ে তদন্ত কার্যক্রমে অংশ নেন। এ ঘটনায় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।