কুলিয়ারচর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সীটের চেয়ে রোগীর সংখ্যা বেশী

এফএনএস (মহিউদ্দিন লিটন; হাওর অঞ্চল, কিশোরগঞ্জ) : | প্রকাশ: ২৪ আগস্ট, ২০২৬, ০৪:১৬ পিএম
কুলিয়ারচর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সীটের চেয়ে রোগীর সংখ্যা বেশী

গত ১ সপ্তাহ ধরে খর রৌদ্র তাপের পাল্লা দিয়ে বিদ্যুতের লোড শেডিংয়ে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। বিপিডিপি ও আরইবি গড়ে এই অঞ্চলের বিদ্যুৎ লোড শেডিং হচ্ছে ১০ থেকে ১২ ঘন্টা। এই লোড শেডিং এর কারণে শিশু ও বৃদ্ধরা বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচর পৌরসভাসহ ৭টি ইউনিয়নে প্রায়ই ২ লক্ষ ৫০ হাজার লোকের বসবাস। সেখানে ২৫ জন ডাক্তারের মধ্যে ১৭ জন ডাক্তার রয়েছেন এই হাসপাতালে নামে মাত্র। যেমন: ঔষধ সংকট রয়েছে তেমনিভাবে রোগীরা তিন বেলার খাবার খুব নিম্নমানের পাচ্ছে বলে রোগীদের অভিযোগ। আজ সোমবার দুপুরে একদল গণমাধ্যম কর্মী সরেজমিন গিয়ে দেখা গেছে, এই হাসপাতালটি ৫০ শয্যা বিশিষ্ট হলেও রোগী ভর্তি রয়েছে ৯৪ জন। এর মধ্যে ৪৪ জন রোগীকে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ খাবার দিতে পারছে না বলে অভিযোগ উঠেছে। শিশু রোগীর সংখ্যা রয়েছে অগণিত। এর মধ্যে নিউমোনিয়ায় গত দুদিনে আক্রান্ত হয়েছে ৭ জন। এরা হলেন, কুলিয়ারচর উপজেলা সদরের একরামপুর গ্রামের জাহাঙ্গীর মিয়ার শিশু পুত্র উসমান হাদি (০৪ মাস), গোবরিয়া আব্দুল্লাহ গ্রামের সালামিনের শিশুকণ্যা রাফিয়া (১৫ মাস), ডুমরাকান্দা বাজারের মাইজপাড়া গ্রামের শামসুল ইসলামের শিশুপুত্র মাজহারুল ইসলাম (০৫ বছর), কান্দি গ্রামের মাসুম মিয়ার পুত্র আল রায়ান (০৩ বছর ০৬ মাস), মেরাতুলি গ্রামের শামীম মিয়ার শিশুপুত্র নাফিস (২ বছর ০৬ মাস), রিহান (০৫ মাস), নাজেরদিঘী গ্রামের রায়ান (০৯ মাস) এছাড়া ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে এই হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ২ জন। এরা হলেন, কুলিয়ারচর পৌর সদরের গাইলকাটা গ্রামের বজলুর রহমান (৭০) ও গোবরিয়া আব্দুল্লাহপুর গ্রামের জহিরুল ইসলামের ছেলে রনি মিয়া (১৩)। অন্যদিকে ডায়রিয়া রোগী ও রয়েছে প্রায় ১৫-২০ জন। হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, এই হাসপাতালে গাইনী বিভাগ ও মেডিসিন বিভাগের ডাক্তারগণ নিয়মিত চিকিৎসা দিয়ে থাকেন বলে রোগীরা জানিয়েছেন। কুলিয়ারচর উপজেলা স্বাস্থ্য ও প: প: কর্মকর্তা ডা: আদনান আখতার বলেন, স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সকল ডাক্তার না থাকলে দুই-তৃতীয়াংশ ডাক্তার রোগীদের সেবা প্রদান করে থাকেন বলে উল্লেখ করেন। 

আপনার জেলার সংবাদ পড়তে