তিনটি নদীর পানি এখনও বিপদসীমার ওপরে, বন্যার শঙ্কা

এফএনএস প্রতিবেদক: | প্রকাশ: ১৩ জুলাই, ২০২৬, ০৩:১৯ এএম
তিনটি নদীর পানি এখনও বিপদসীমার ওপরে, বন্যার শঙ্কা
ছবি, সংগৃহীত

পাঁচ জেলার পাঁচটি পয়েন্টে তিনটি নদীর পানি এখনো বিপদসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় বন্যার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। একই সঙ্গে আগামী ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টায় সিলেট বিভাগ ও ভারতের আসাম-মেঘালয়ে ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টিপাত হতে পারে। 

এমন পরিস্থিতি বিবেচনায় বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র কিছু কিছু জেলার নদী আববাহিকায় স্বল্পমেয়াদি বন্যা পরিস্থিতির শঙ্কা দেখছেন। 

আজ রোববার বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের সহকারী প্রকৌশলী মোস্তফা কামাল জিহানের সই করা বৃষ্টিপাত ও নদ-নদীর পরিস্থিতি এবং পূর্বাভাস এসব তথ্য জানা যায়।

পূর্বাভাসে বলা হয়, সাঙ্গু নদীর বান্দরবান ও দোহাজারী, কুশিয়ারা নদীর মারকুলি ও ফেঞ্চুগঞ্জ এবং সোমেশ্বরী নদীর কলমাকান্দা পয়েন্টে পানি বিপদসীমার ওপরে রয়েছে।

পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী দুই দিনে ফেনী, চট্টগ্রাম ও খাগড়াছড়ির মুহুরী, ফেনী নদী, সেলোনিয়া ও হালদা নদীর পানি কিছু স্থানে বিপদসীমা অতিক্রম করে নদীতীরবর্তী নিম্নাঞ্চলে স্বল্পমেয়াদি বন্যার সৃষ্টি করতে পারে। এ সময় লক্ষ্ণীপুর ও নোয়াখালীর কিছু নিম্নাঞ্চলও সাময়িকভাবে প্লাবিত হতে পারে।

এ ছাড়া সিলেট, সুনামগঞ্জ, নেত্রকোণা, শেরপুর ও ময়মনসিংহ জেলার কয়েকটি নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে কোথাও কোথাও স্বল্পমেয়াদি বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হতে পারে। কুশিয়ারা ও সুরমা নদীর পানি বৃদ্ধির ফলে সিলেট ও সুনামগঞ্জের বন্যা পরিস্থিতির কিছুটা অবনতি হওয়ার আশঙ্কাও রয়েছে।

অন্যদিকে তিস্তা, ধরলা ও দুধকুমার নদীর পানি বাড়তে থাকায় নীলফামারী, লালমনিরহাট, রংপুর, কুড়িগ্রাম ও গাইবান্ধার নিম্নাঞ্চলেও স্বল্পমেয়াদি বন্যা দেখা দিতে পারে।

তবে আগামী ২৪ ঘণ্টায় বান্দরবান, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারের সাঙ্গু ও মাতামুহুরী এবং মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জের কয়েকটি নদীর পানি কমতে পারে।