স্বাধীন বাংলাদেশে প্রথম মুক্তিযোদ্ধা নিধন ও বিনা বিচারে হত্যা শুরু করে আওয়ামী লীগ বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান।
আজ শুক্রবার (৬ নভেম্বর) সকালে জাতীয় বিপ্লবী ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনাসভায় তিনি এ মন্তব্য করেন।
এসময় তিনি বলেন, কর্তৃত্ববাদী শাসনব্যবস্থার বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোই বিপ্লব ও সংহতি দিবসের মূল তাৎপর্য। জনগণের অধিকার ও গণতান্ত্রিক আকাঙ্ক্ষাকে উপেক্ষা করে কোনো সরকার ক্ষমতা পরিচালনা করতে পারে না।
বর্তমান সংসদের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে জামায়াত আমির অভিযোগ করেন, বিএনপি সংসদকে অকার্যকর করে একদলীয় শাসনব্যবস্থা কায়েম করছে। সর্বত্র দলীয়করণের মাধ্যমে ফ্যাসিবাদী শাসনের কাঠামো পুনঃপ্রতিষ্ঠার চেষ্টা চলছে।
শফিকুর রহমান বলেন, জনগণের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করতে চান না বলেই তাঁরা সাত দফা দাবি নিয়ে আন্দোলনে নেমেছেন। গণতন্ত্র ও জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠায় এসব দাবি আদায়ে তারা সোচ্চার থাকবেন।
তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থার প্রসঙ্গ টেনে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, একসময় বিএনপি তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা মেনে নিতে বাধ্য হয়েছিল। একইভাবে গণভোটের রায়ও তাদের মেনে নিতে হবে। জনগণের রায় উপেক্ষা করে কোনো রাজনৈতিক দল টিকে থাকতে পারবে না বলে মন্তব্য করেন তিনি।
এ সময় জাপান সফর প্রসঙ্গেও বিএনপির কাছে ব্যাখ্যা দাবি করেন জামায়াত আমির। তিনি বলেন, জাপানে গিয়ে মাতারবাড়ী প্রকল্প নিয়ে কী করা হয়েছে, তা জনগণের সামনে উন্মুক্ত করতে হবে।
আওয়ামী লীগের শাসনামলের সমালোচনা করে তিনি আরও বলেন, স্বাধীন বাংলাদেশে মুক্তিযোদ্ধা নিধন ও বিনা বিচারে হত্যার সূচনা করেছিল আওয়ামী লীগ।