আসন্ন রবিশস্য মৌসুমে পাবনার চাটমোহরে রাসায়নিক সার সংকটের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। চলতি মাসের বরাদ্দকৃত সার ইতোমধ্যে ডিলাররা বিক্রি করে দিয়েছেন। এখনও পুরো মাস রয়েছে। কৃষক সারের জন্য ডিলারদের কাছে ধর্না দিয়েও সার পাচ্ছেন না। আবারও যেখানে সার পাওয়া যাচ্ছে,সেখানে অতিরিক্ত দাম েিনওয়া হচ্ছে। এ উপজেলাতে সারের সিন্ডিকেট তৈরি করা হয়েছে মর্মে অভিযোগ পাওয়া গেছে। কয়েকজন ডিলার সার মজুত করে কৃত্রিম সংকট তৈরির অপচেষ্টায় লিপ্ত রয়েছেন বলে জানা গেছে। এসকল ডিলার সার মজুত করার পাশাপাশি দীর্ঘদিন ধরেই অতিরিক্ত দামে সার বিক্রি করে হাতিয়ে নিচ্ছেন লাখ লাখ টাকা। আসন্ন রবি মৌসুমে সারের চাহিদা বেশি থাকায় কতিপয় অসাধু ডিলার ও খুচরা সার বিক্রেতারা বেশি দামে সার বিক্রি করছেন। শুধু জমিতেই নয়,এখন সার দরকার লিচু বাগান,মৎস্য খামারসহ বিভিন্ন স্থানে। ফলে সারের চাহিদা দ্বিগুণ হয়েছে। নভেম্বর মাসে চাটমোহর উপজেলাতে যে পরিমাণ সার বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে,তা ইতোমধ্যে প্রায় বিক্রি হয়ে গেছে। ফলে সার সংকটের আশঙ্কা করছেন কৃষক ও সংশ্লিষ্টরা।
এদিকে উপজেলার কয়েকটি স্থানে কৃষকের মাঝে সরকারি দামে সার বিক্রি করা হয়েছে। চাটমোহর উপজেলার বিলচলন ইউনিয়নের ডিলার মেসার্স পাওয়ার ট্রেডার্সসহ হান্ডিয়াল ও নিমাইচড়া ইউনিয়নে এই সার বিক্রি করা হয়। সার বিক্রেতা আবুল কালাম জানান,গৎ দুইদিনে বরাদ্দকৃত এক হাজারের বেশি বস্তা সার সরকার নির্ধারিত দামে বিক্রি করা হয়েছে। এদিকে সারের ব্যাপক চাহিদা থাকায় বরাদ্দকৃত সার দুই দিনেই বিক্রি হয়ে যাওয়ায়। সারের বরাদ্দ বৃদ্ধির জন্য বুধবার (৪ নভেম্বর) চাটমোহরের কয়েকজন সার ডিলার উপজেলা নির্বাহী অফিসার খালিদ হাসানের সাথে সাক্ষাত করেন। উপজেলা নির্বাহী অফিসার এ ব্যাপারে জেলায় কথা বলবেন বলে জানান। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কুন্তলা ঘোষ জানান,সারের চাহিদা কিছুটা বেড়েছে। কিন্তু সংকটের সম্ভাবনা নেই। নিয়মিত মনিটরিং করা হচ্ছে। বেশি দামে সার বিক্রির কোন সুযোগ নেই।