এলসিএস প্রকল্পে তুঘলকিকান্ডে লীগনেতাকে রক্ষায় বিএনপি নেতারা মরিয়া

এফএনএস (ইমরান হোসাইন রুবেল; সারিয়াকান্দি, বগুড়া) : | প্রকাশ: ২৯ অক্টোবর, ২০২৬, ০৫:০৭ পিএম
এলসিএস প্রকল্পে তুঘলকিকান্ডে লীগনেতাকে রক্ষায় বিএনপি নেতারা মরিয়া

বগুড়ার সারিয়াকান্দিতে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের  আওতাধীন এল সি এস (লেবার কন্ট্রাক্টিং সোসাইটি) প্রকল্পের গ্রামীণ সড়ক রক্ষণাবেক্ষণ কাজে ব্যাপক অনিয়ম, দুর্নীতি ও অব্যবস্থাপনার অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয়রা এই প্রকল্পের কর্মকাণ্ডকে তুঘলকি কান্ড বলে অবহিত করেছেন। সমপ্রতি এই সংক্রান্ত একাধিক পত্রিকায় খবর বেরোনোর পর কর্তৃপক্ষের টনক নরে। তবে প্রকল্পে সংযুক্ত অসহায় মহিলাদের বাদ দিয়ে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ নেতা পাভেল মিয়া সুপারভাইজার পদে রেখে দেওয়ায় নতুন করে, আলোচনা, সমালোচনা ও গুঞ্জন দেখা দিয়েছে।

স্থানীয় ও উপজেলা প্রকৌশল অধিদপ্ত সূত্রে জানা গেছে, কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ সরকারের সময় সাবেক এমপি সাহাদারা মান্নান সুপারিশে ৩০জন দুঃস্থ মহিলাকে নিয়োগ দেন। সেই সাথে প্রকল্প দেখভাল করার জন্য প্রকৌশল অধিদপ্তরে উপজেলা মৎস্যজীবী লীগের যুগ্ম আহ্বায়ক পাভেল মিয়াকে সুপারভাইজার পদে নিয়োগ পায়। কিন্তু  সমপ্রতি একাধিক পত্রিকায় প্রকল্পের তুঘলকিকান্ড নিয়ে খবর প্রকাশ হয়। তারপর উচ্চ পর্যায়ের একটি তদন্ত কমিটিও হয়। তদন্ত কমিটির রিপোর্ট  প্রকাশ না করেই, প্রক্সি দেওয়া মহিলাদের কার্যক্রম থেকে বাদ দিলেও, দেয়া হয়নি ওই সুপারভাইজার উপজেলা মৎসলীগ নেতা পাভেল মিয়াকে।এখন ওই সুপারভাইজার পাভেল মিয়াকে রক্ষায়  এরই মধ্য তৎপর হয়েছেন স্থানীয় বিএনপি'র কিছু  নেতা -কর্মী। এই ব্যাপারে অভিযুক্ত পাভেল মিয়া বলেন,আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ গুলো সত্য না।

যোগাযোগ করা হলে, পৌর বিএনপি'র সাধারণ সম্পাদক  এডঃ শরিফুল ইসলাম হীরা বলেন, আমি যেহেতু লোকাল নির্বাচন করি, সেজন্য ভোটার হিসেবে পাভেল মিয়াকে দরকার পরে। তার জন্য উপজেলা প্রকৌশলীকে সমন্বয়ে কমিটির সভায় তার যেন ক্ষতি না হয়,একবার বলেছিলাম মাত্র ।   এই ব্যাপারে উপজেলা প্রকৌশলী তুহিন সরকারের কাছে জানতে চাইলে বলেন, প্রক্সি দেওয়া মহিলাদের প্রকল্পের কার্যক্রম থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। এরপরও রাজনৈতিক  চাপতো রয়েছেই। সব মিলিয়ে সুপারভাইজার পদ থেকে পাভেল মিয়াকে বাদ দেওয়া আমাদের পক্ষে সম্ভব হচ্ছে না।

আপনার জেলার সংবাদ পড়তে