বসতবাড়ির রান্নাঘরের পেছনে গোপনে বেড়ে উঠছিল গাঁজার গাছ। ধীরে ধীরে সেটি পরিণত হয়েছে প্রায় ১৪ ফুট লম্বা পূর্ণাঙ্গ গাছে। দূর থেকে দেখলে অন্য কোনো গাছ বলে মনে হলেও কাছে গেলে মিলত গাঁজার গন্ধ। অবশেষে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে গাছটি উদ্ধার করেছে কুড়িগ্রামের রাজারহাট থানা পুলিশ। এ ঘটনায় আসমান আলী (৫০) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।
সোমবার (১২ অক্টোবর) দিবাগত রাত দেড়টার দিকে উপজেলার মেকুরটারি ইউনিয়নে নুরইসলামের ছেলে আসমান আলীর বসতবাড়িতে এ অভিযান পরিচালনা করেন রাজারহাট থানা পুলিশ।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, কয়েক দিন আগে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আসমান আলীর বাড়িতে গাঁজার গাছ চাষের তথ্য পায় পুলিশ। পরে তথ্যের সত্যতা যাচাই করে রাজারহাট থানার অফিসার ইনচার্জ মামুনুর রশিদের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল সোমবার গভীর রাতে অভিযান চালায়। এ সময় বাড়ির রান্নাঘরের পেছন থেকে প্রায় ১৪ ফুট লম্বা জীবন্ত গাঁজার গাছটি উদ্ধার করে। পরে বাড়ির মালিক আসমান আলীকে গ্রেপ্তার করে থানায় নিয়ে যায় পুলিশ। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আসমান আলী প্রায় এক বছর ধরে গোপনে গাঁজার গাছটি লালন-পালন করার কথা স্বীকার করেছেন বলে পুলিশ জানিয়েছে। এ ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে রাজারহাট থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃত আসমান আলীকে আদালতের মাধ্যমে কুড়িগ্রাম কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
রাজারহাট থানার অফিসার ইনচার্জ মামুনুর রশিদ বলেন, গাঁজার গাছটি জব্দ করা হয়েছে। এ ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। রাজারহাট উপজেলাকে জুয়া ও মাদকমুক্ত রাখতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।