মানববর্জ্য ও কৃষিজ অবশিষ্টাংশ থেকে জ্বালানি তেল উৎপাদনের উদ্ভাবনী প্রকল্পের প্রদর্শনী পরিদর্শন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। পরিদর্শনকালে তিনি প্রকল্পটি বাস্তবায়নে সরকারের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন।
আজ শনিবার তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে আয়োজিত এ উদ্ভাবনী প্রকল্পের প্রদর্শনী আয়োজন করা হয়।
এসময় কুয়েটের গবেষকরা বর্জ্য থেকে জৈব অপরিশোধিত তেল উৎপাদনের প্রযুক্তি, গবেষণার অগ্রগতি ও বাণিজ্যিক সম্ভাবনা তুলে ধরেন। প্রকল্পটি বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস দেন প্রধানমন্ত্রী।
প্রদর্শনীতে দেখা যায়, হাইড্রোথার্মাল লিকুইফ্যাকশন প্রযুক্তিতে মানববর্জ্য, রান্নাঘরের বর্জ্য ও কৃষিজ অবশিষ্টাংশ থেকে তৈরি হচ্ছে বায়োক্রুড বা জৈব অপরিশোধিত তেল।
গবেষকদের দাবি, বাণিজ্যিকভাবে প্রযুক্তিটি সম্প্রসারণ করা গেলে দেশের আমদানিকৃত অপরিশোধিত তেলের ১০ থেকে ১৫ শতাংশ পর্যন্ত প্রতিস্থাপনের সম্ভাবনা রয়েছে। এতে বছরে আনুমানিক ৬ হাজার ৫০০ থেকে ১৩ হাজার কোটি টাকার সমপরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় হতে পারে।
তবে এ সম্ভাবনা যাচাইয়ে ১০০ থেকে ১২০ কোটি টাকা ব্যয়ে একটি পাইলট প্ল্যান্ট স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে। প্রকল্পটি সফল হলে জ্বালানি আমদানির ব্যয় কমানোর পাশাপাশি বর্জ্যকে অর্থনৈতিক সম্পদে রূপান্তর, নতুন শিল্প ও কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা জোরদারের সুযোগ তৈরি হতে পারে।