ভালুকায় সলিং ছাড়াই এইচবিবি দ্বারা সড়ক মেরামত করণ

এফএনএস (মোঃ আলমগীর হোসেন; ভালুকা, ময়মনসিংহ) : | প্রকাশ: ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ০৭:৩৭ পিএম
ভালুকায় সলিং ছাড়াই এইচবিবি দ্বারা সড়ক মেরামত করণ

ভালুকা উপজেলার হবিরবাড়ি ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডে মোড়লবাড়ি মোড় থেকে এক্সিলেন্স সিরামিক্স পর্যন্ত ৩০০ মিটার কার্পেটিং সড়কের গর্তগুলো মেরামতকরণ কাজে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। 

জানাযায়, টিআর প্রকল্পের আওতায় ৩ শত মিটার সড়ক মেরামত করতে ৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। ইটের সলিং দিয়ে কোনমতে গর্তগুলো বন্ধ করা হচ্ছে। ফলে যানবাহন চলাচলে অল্প কিছু দিনের মধ্যেই গর্তগুলো আবার খানাখন্দে পরিনত হওয়ার অংশকা রয়েছে। 

স্থানীয়রা জানান,হবিরবাড়ি ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডে মোড়লবাড়ি মোড় থেকে চটানপাড়া পর্যন্ত সড়কটি অতিব গুরুত্বপুর্ণ। প্রতিদিন ওই সড়ক হয়ে বিভিন্ন কারখানার হাজারো শ্রমিক ও নানা শ্রেণিপেশার মানুষসহ শতশত যানবাহন চলাচল করে থাকে। দীর্ঘদিন সড়কটি সংস্কার না হওয়ায় স্থানীয় সরকার প্রকৌশল বিভাগের আওতায় কাপেটিং করা ওই সড়কের বিভিন্ন স্থানে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়ে চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়েছে। ফলে, সড়কটির মোড়লবাড়ি মোড় থেকে এক্সিলেন্স সিরামিক্স পর্যন্ত ৩০০ মিটার টিআর প্রকল্পের আওতায় এইচবিবি দ্বারা মেরামতের জন্যে সাড়ে ৪ লাখ টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়। মেরামত কাজের প্রাক্কলনে প্রথমে ভালো মানের ইটের সলিং এবং তার উপরের এইচবিবি দ্বারা সড়কের গর্তগুলো মেরামত করার কথা থাকলেও তা করা হচ্ছে না। সলিং না করেই শুধু এইচবিবি দ্বারা গর্তগুলো মেরামত করা হচ্ছে। কাজেই, সলিং ছাড়া শুধু এইচবিবি করাতে ভারী যানবাহনের চাপে মেরামত করা গর্তগুলো স্বল্প সময়ে পূর্বের অবস্থায় ফিরে যাবে।  এইচবিবিকারণ কাজের মিস্ত্রী নুরুল ইসলাম জানান, তাকে সলিং ছাড়াই এইচবিবি করতে বলা হয়েছে। তাই, তিনি সলিং ছাড়াই এইচবিবি করছেন।

প্রকল্প সভাপতি ইউপি সদস্য খলিলুর রহমান বলেন, ‘আমি ওই প্রকল্পের সভাপতি না। আমাকে শুধু লেবার সরবরাহ করতে বলা হয়েছে। আমি তাই করেছি। সুহেল নামের একজন প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছেন।’ উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মহিদুল আলম জানান, সাড়ে চাল লাখ টাকায় ওই সড়কের গর্তগুলো ডবল লেয়ারে মেরমত করার কথা। হবিরবাড়ি ইউনিয়নের ৯ নং ওয়ার্ডের মেম্বার মো. খলিলুর রহমান প্রকল্প কমিটির সভাপতি হিসাবে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছেন। সিঙ্গেল লেয়ারের মেরামত করার বিষয়টি তার জানা নেই। কাজটি গত ৩০ শে জুন শেষ হওয়ার কথা ছিলো। ইতোমধ্যে কাজের অর্ধেক বিল পরিশোধ করা হয়েছে। কাজ শেষে প্রাক্কলন অনুযায়ী যাচাই করে চুড়ান্ত বিল প্রদান করা হবে।

আপনার জেলার সংবাদ পড়তে