রাজশাহীর তানোরে শনিবার দিবাগত এক রাতের টানা ভারি বর্ষনে গুচ্ছো গ্রামগুলো থৈয় থৈয় করছে পানিতে। রাতের হঠাৎ এমন বৃষ্টিতে অসহায় দরিদ্র পরিবার গুলো গ্রামের বিভিন্ন মানুষের বাড়িতে আশ্রয় নেয়। তানোর উপজেলার নিচু এলাকার ধানের জমিতে তৈরি করা গুচ্ছ গ্রামগুলোর প্রায় প্রতিটি ঘরেই পানি ঢ়ুকে পড়েছে। ফলে, ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে গুচ্ছো গ্রামে বসবাসরত দরিদ্র শ্রেনীর পরিবার গুলো।
সরেজমিনে রোববার দুপুরে কোয়েল উত্তর পাড়া গুচ্ছো গ্রামে গিয়ে দেখা গেছে, প্রায় ২০ টি বাড়ির সব গুলো ঘরেই পানি ঢ়ুকে পড়েছে এবং চার পার্শ্বে থৈয় থৈয় করছে পানি। বসবাসরত দরিদ্র পরিবার গুলো গ্রামের উচু এলাকার মানুষের বাড়িতে ও উঠানে আশ্রয় নিয়েছেন। আবুল কাশেম নামের এক ব্যাক্তি বলেন, রাতের হঠাৎ প্রচুর বৃষ্টি শুরু হয়। কিছুক্ষণের মধ্যেই ঘরে ফুকতে শুরু করে পানি। তাড়া হুড়ো করে সবাই বিবিন্ন মানুষের বাড়িতে আশ্রয় নিই।
তিনি বলেন, নিচু এলাকা হওয়ায় একটু বৃষ্টি হলেই চার পাশে পানি জমে যায় আর ভারি বৃষ্টি হলে পানি ঘরে ফুকে যায়। আব্দুল জব্বার জানান, গুচ্ছো গ্রাম গুলো নিচু এলাকার ধানী জমিতে তৈরি করায় প্রতিবছরই বর্ষার সময় পানি উঠে বসবাসের অনুপযোগী হয়ে পড়ে। এতে করে দরিদ্র শ্রেনীর মানুষ গুলোকে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়। সহায় সম্বলহীন দরিদ্র এই পরবার গুলো চরম কষ্টের মধ্যে পড়েছেন। সরকারী ভাবে সহায়তা করার দাবি জানিয়েছেন তারা। তানোর উপজেলার পাঁচন্দর ইউপির চেয়ারম্যান আব্দুল মতিন বলেন, খবর পেয়ে ১ নং ওয়ার্ড মেম্বার মফিজ উদ্দিনকে পাঠিয়েছিলাম। বর্তমানে গুচ্ছো গ্রামের ঘর গুলো থেকে তারা গ্রামের বিভিন্ন মানুষের বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছেন। কয়েকদিন সময় লাগবে তাদের গুচ্ছো গ্রামের ঘরে ফিরতে। বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও পিআইও কে জানানো হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার গুলোকে সরকারি সহায়তা প্রদান করা জরুরী হয়ে পড়েছে। অন্য এলাকার ঘরে পানি ঢ়ুকে পড়ার কবর পাননি বলেও জানান তিনি। তানোর উপজেলা নির্বাহী অফিসার নাঈমা খান বলেন, কোয়েল উত্তরপাড়া আশ্রয়ন প্রকল্পের গুচ্ছগ্রামের বাড়ি গুলোতে পানি ঢোকার খবর পেয়েছি সরকারী ভাবে সহায়তা করা হবে বলে জানান তিনি।