মেট্রোপলিটন সাংবাদিক ইউনিয়ন (এমইউজে) খুলনার নামে (৬ সেপ্টেম্বর) খুলনা প্রেসক্লাবে কথিত নির্বাচনের সাথে এমইউজে খুলনার ন্যূনতম কোন সম্পৃক্ততা নেই বলে জানিয়েছেন ইউনিয়ন নেতৃবৃন্দ।
বিবৃতিদাতারা হলেন-বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন-বিএফইউজের সহকারী মহাসচিব এহতেশামুল হক শাওন, মেট্রোপলিটন সাংবাদিক ইউনিয়ন (এমইউজে) খুলনার সভাপতি মো. রাশিদুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক রানাসহ নির্বাহী কমিটির অন্যান্য সদস্যবৃন্দ।
গণমাধ্যমে প্রেরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এমইউজে খুলনার নেতৃবৃন্দ বলেন, মেট্রোপলিটন সাংবাদিক ইউনিয়ন খুলনা (রেজি. নং-খুলনা ১০৬৭) শ্রম পরিচালক দপ্তরের নিবন্ধিত একটি পেশাজীবী সংগঠন। একটি গঠনতন্ত্রের অধীনে এই সংগঠনের কার্যক্রম পরিচালিত হয়। ২০২৫ সালের ১৬ নভেম্বর গঠনতন্ত্র মোতাবেক এমইউজে খুলনার দ্বি-বার্ষিক নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। যার মেয়াদ ২০২৭ সালের নভেম্বর মাসে শেষ হবে। এরমধ্যে সংগঠনের অভ্যন্তরে অবস্থানরত সুবিধাবাদী একটি পক্ষ যারা জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থানে পতিত ফ্যাসিস্ট অপশক্তির দোসর হিসেবে নিরাপদ অবস্থানে ছিল। তারা নানা অপকৌশলে মিথ্যাচারের আশ্রয় নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়িয়ে ও ক্ষেত্র বিশেষে উগ্রবাদী আচরণের মাধ্যমে দখলদারিত্ব কায়েম করে। তারা উচ্চ আদালতের একটি আদেশের অপব্যাখ্যা করে নির্বাচন আয়োজনের পথে এগিয়ে যায়। তারা যে নির্বাহী কমিটির বুনিয়াদে সাধারণ সভা আয়োজন ও নির্বাচনের প্রক্রিয়ায় অগ্রসর হয়েছে তা সম্পূর্ণ অবৈধ ও অগঠনতান্ত্রিক। কারণ, তাদের তথাকথিত নির্বাহী কমিটির একজন সদস্য মারা গেছেন এবং তিনজন সদস্য তাদের কর্মকান্ডের সাথে আর সম্পৃক্ত নন। ফলে গঠনতন্ত্র অনুযায়ী মাত্র ৩ (তিন) সদস্যের সমন্বয়ে নির্বাহী কমিটির সভার কোরাম পুরণ হয়না। আর কোরামহীন সভার সিদ্ধান্ত শুধু অগঠনতান্ত্রিকই নয়, অবৈধও বটে।
উপরন্ত, তথাকথিত নির্বাচন কমিশন যথা নিয়মে কোন তফশীল ইউনিয়নের নোটিশ বোর্ডে টাঙায়নি। কোন খসড়া এবং চুড়ান্ত ভোটার তালিকাও প্রকাশ করেনি। নির্বাচনী প্রক্রিয়ার কোন ধাপই তারা অনুসরণ করেনি। তবে একটি হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে প্রাপ্ত ৬ (ছয়) পাতার ১৫৩ জনের খসড়া ভোটার তালিকা আমাদের হাতে এসেছে। তালিকা বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে এমইউজে খুলনার (শ্রম অধিদপ্তরে রক্ষিত) ৯৬ জন সদস্যের মধ্যে ৪১ জনের নাম এই তালিকায় নেই। যাদের নাম তালিকায় রয়েছে তাদের অধিকাংশকেই খুলনার অনেক পেশাদার সাংবাদিক চেনেন না। এমনকি বিভিন্ন উপজেলা পর্যায়ে কর্মরতদেরকে ভোটার করা হয়েছে। যা ইউনিয়নের গঠনতন্ত্র অনুমোদন করে না। এছাড়া প্রথম শ্রেণীর গণমাধ্যমের প্রতিনিধিরাও ওই তালিকায় নেই।
বিবৃতিতে আরও উল্লেখ করা হয়, মেট্রোপলিটন সাংবাদিক ইউনিয়ন (এমইউজে) খুলনা পেশাজীবী সাংবাদিকদের শীর্ষ সংগঠন বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন-বিএফইউজের এফিলিয়েশনভুক্ত। এমইউজে খুলনার বিদ্যমান কমিটি এবং তাদের নিয়মিত কর্মকান্ডকে বিএফইউজে সম্পূর্ণভাবে স্বীকৃতি প্রদান করেছে। গঠনতন্ত্রের বাইরে গিয়ে যে কোন তৎপরতাকে এমইউজে অবৈধ বলে মনে করে।