সৈয়দপুরে ক্রেতাদের পদভারে জমজমাট ঈদ বাজার

এফএনএস (ওবায়দুল ইসলাম; সৈয়দপুর, নীলফামারী) : | প্রকাশ: ১১ মার্চ, ২০২৬, ০৫:২৩ এএম
সৈয়দপুরে ক্রেতাদের পদভারে জমজমাট ঈদ বাজার

পবিত্র ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে নীলফামারীর সৈয়দপুর শহরের বিভিন্ন মার্কেট ও বিপণিবিতানগুলোতে ক্রেতাদের পদচারণায় জমজমাট হয়ে উঠেছে ঈদ বাজার। সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত শহরের শপিংমল, মার্কেট ও ফুটপাতের দোকানগুলোতে ক্রেতাদের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা যাচ্ছে।

সৈয়দপুর প্লাজা সুপার মার্কেট,সৈয়দপুর এসআর প্লাজা মার্কেট, শহীদ ডা. জিকরুল হক রোড, শামসুল হক রোড, রেলওয়ে মার্কেট, গোলাহাট ও আশপাশের বাজারগুলোতে ঈদের কেনাকাটায় মানুষের ঢল নেমেছে। শিশু থেকে শুরু করে নারী-পুরুষ-সব বয়সী মানুষ নতুন পোশাক, জুতা, প্রসাধনী ও বিভিন্ন সামগ্রী কিনতে ভিড় করছেন দোকানগুলোতে।

ব্যবসায়ীরা জানান, রমজানের প্রথম দিকে ক্রেতা তুলনামূলক কম থাকলেও ঈদ যত ঘনিয়ে আসছে ততই বাজারে ভিড় বাড়ছে। বিশেষ করে ইফতারের পর রাত পর্যন্ত কেনাকাটার চাপ বেশি দেখা যাচ্ছে। দেশের বিভিন্ন জায়গার মতো ঈদ ঘনিয়ে এলে শপিংমল ও ফুটপাতের দোকানগুলোতে ক্রেতা সমাগম বাড়ে এবং কেনাকাটার উৎসবমুখর পরিবেশ তৈরি হয়। 

 দোকানদার জসিম জানান, কয়েকদিন ধরে বিক্রি অনেক বেড়েছে। বিশেষ করে থ্রি-পিস, পাঞ্জাবি ও শিশুদের পোশাকের চাহিদা বেশি।

হাতের কারুকাজ করা পাঞ্জাবী দোকান মালিক আব্দুল হাকিম খান জানান, বিক্রি বেশ ভাল হচ্ছে।

কেনাকাটা করতে আসা ক্রেতা সুইটি আক্তার বলেন, ঈদ মানেই নতুন পোশাক। পরিবার-পরিজনের জন্য কেনাকাটা করতে বাজারে এসেছি। ভিড় থাকলেও ঈদের আনন্দে কেনাকাটা করছি।

তবে অনেক ক্রেতা পোশাকের দাম কিছুটা বেশি বলে মন্তব্য করেছেন। তবুও ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে প্রয়োজন অনুযায়ী কেনাকাটা করছেন বলে জানান তারা।

এদিকে ঈদকে ঘিরে শহরের টেইলার্সগুলোতেও কাজের চাপ বেড়েছে। পাঞ্জাবি, শার্ট ও পায়জামা তৈরি করতে দিন-রাত ব্যস্ত সময় পার করছেন দর্জিরা।

সব মিলিয়ে ঈদকে সামনে রেখে সৈয়দপুরের ঈদ বাজার এখন ক্রেতা-বিক্রেতাদের কোলাহলে মুখর হয়ে উঠেছে।

শহরের মতি টেইলার্স এর মালিক মতিয়ার রহমান জানান,কাজের অর্ডার নেয়া বন্ধ করে দিয়েছি। ১৫ রমজান পর্যন্ত অর্ডার নিয়েছি এখন ওই কাজগুলো করতে দিন রাত পরিশ্রম করতে হচ্ছে কারিগরসহ আমাকে। নতুন অর্ডার আসছে প্রতিদিন কিন্তু তাদেরকে ফেরত দিচ্ছি। অনেকে আবার ঈদের পরে নেবেন তাদের অর্ডার গ্রহণ করছি।

আপনার জেলার সংবাদ পড়তে