কয়রায় জমি দখল ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ, প্রতিকার চেয়ে সংবাদ সম্মেলন

এফএনএস (মোঃ রিয়াছাদ আলী; কয়রা, খুলনা) : | প্রকাশ: ২২ অক্টোবর, ২০২৬, ০১:৪৬ পিএম
কয়রায় জমি দখল ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ, প্রতিকার চেয়ে সংবাদ সম্মেলন

 খুলনার কয়রা উপজেলায় জমি নিয়ে বিরোধের জেরে জমি দখল, সীমানা বেড়া দেওয়া এবং প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় জমির মালিকানা দাবি করে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ ও জমির নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন মোঃ. নজরুল ইসলাম নামের এক ব্যক্তি। বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) বেলা ১১ টায় কয়রা উপজেলা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য নজরুল ইসলাম জানান, কয়রা মৌজায় এসএ ৯৫২ ও ৭১ খতিয়ান ও ২১১ দাগে ১৯ শতক ২৯ পয়েন্ট  ও ২৪৮ দাগে ১১ শতক ২১ পয়েন্ট মোট দুই দাগে সাড়ে ৩০ শতক জমি ক্রয় করে তিনি ও তাঁর পরিবার দীর্ঘদিন ধরে ভোগদখল সহ মালিকানা দাবি করে আসছেন। অভিযোগ অনুযায়ী, সংশ্লিষ্ট জমির বিভিন্ন সময়ে একাধিকবার হস্তান্তর হয়েছে। পরবর্তী সময়ে তিনি দলিলমূলে জমি ক্রয় করে নিজের নামে নামজারি সম্পন্ন করেন। নজরুল ইসলামের দাবি, জমি নিয়ে বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের সঙ্গে তাঁর বিরোধ সৃষ্টি হয়। জমি ভাগবণ্টন না হওয়ায় তিনি আদালতের শরণাপন্ন হন। এ বিষয়ে কয়রা উপজেলার বিজ্ঞ সিনিয়র সহকারি জজ আদালতে ৭৪/২৫ বন্টন মামলা দায়ের করি। পরবর্তিতে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে আবেদন করি। ঐ আবেদনের প্রেরিক্ষেতে গত ৬/১০/২৬ তারিখ শুনানী হয়। শুনানির পর পরবর্তি ধার্য তারিখে আদেশ প্রদানের অপেক্ষায় রয়েছে।  লিখিত অভিযোগে আরও বলা হয়, গত ২১ অক্টোবর সকাল আনুমানিক ১০টার দিকে প্রতিপক্ষ একই গ্রামের আজিজুল হক সহ অনেক লোকজন বিরোধপূর্ণ জমির প্রায় ০.০৮ একর অংশ জবরদখল করে সীমানা বেড়া দেন। এ সময় তিনি প্রতিবাদ করলে তাঁকে গালিগালাজ, মারধরের চেষ্টা এবং জীবননাশের হুমকি দেওয়া হয় বলে অভিযোগ করেন নজরুল ইসলাম। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, বিরোধপূর্ণ জমি জবরদখল করা হলে তাঁর অপূরণীয় ক্ষতি হবে। একই সঙ্গে এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটতে পারে বলেও তিনি উদ্বেগ প্রকাশ করেন। সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে তিনি বিরোধপূর্ণ জমিতে প্রতিপক্ষের প্রবেশ ও বেআইনি কার্যক্রম বন্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ এবং নিজের জমির নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। এ ব্যাপারে ইতিপুর্বে কয়রা থানায় একটি সাধারণ ডায়েরী করা হয়। এ ছাড়া ২২ অক্টোবর কয়রা থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। তবে এ সকল অভিযোগের ব্যাপারে আজিজুল হকের নিকট জানতে চাইলে তিনি জানান, আমার জায়গায় আমি ঘেরাবেড়া দিযেছি। তারা মিথ্যা অভিযোগ করে আমাকে হয়রানী করছে।