‘তথ্যই শক্তি, তথ্যই মুক্তি’-এমন প্রতিপাদ্যে শেরপুরে তথ্য অধিকার ও সেবাপ্রাপ্তি বিষয়ক এক অবহিতকরণ সভা হয়েছে। নাগরিক প্ল্যাটফরম জনউদ্যোগ শেরপুর কমিটির আয়োজনে শুক্রবার সদর উপজেলার পাকুরিয়া ইউনিয়নের চৈতনখিলা তারাগর এলাকায় এ সভাটি অনুষ্ঠিত হয়। শহীদ মাহবুব আলম ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশনের সভাপতি মাজহারুল ইসলামের সভাপতিত্বে এতে অন্যান্যের মাঝে বক্তব্য রাখেন জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ে কর্মকর্তা কবি হাসান শরাফত, ওয়েব ডেভেলপার মিনহাজ উদ্দিন, জনউদ্যোগ আহ্বায়ক আবুল কালাম আজাদ, শহীদ মাহবুবের মা মাহফুজা বেগম, সিপিবি নেতা সোলায়মান আহমেদ, আইইিডি আইপি ফেলো সুমন্ত বর্মন, সাংবাদিক হাকিম বাবুল প্রমুখ। সভায় তথ্য অধিকার আইন এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ব্যবহার করে সরকারী-বেসরকারী বিভিন্ন দপ্তরের সেবাপ্রাপ্তির বিষয়ে আলোচনা করা হয়। এসময় সড়ক দূর্ঘটনা, বজ্রপাত সহ প্রাকৃতিক দূর্যোগে হতাহতদের সরকারীভাবে আর্থিক ক্ষতিপূরণ পাওয়ার বিষয়ে অংশগ্রহণকারীদের অবহিত করা হয়। তাছাড়া সমাজসেবা বিভাগ থেকে বয়ষ্কভাতা, বিধাব ভাতা, প্রতিবন্ধী ভাতা, ফ্যামিলি কার্ড, ক্যান্সার, হৃদরোগ সহ ৭টি রোগের চিকিৎসায় আর্থিক অনুদান পাওয়ায় বিষয়ে করণীয় এবং হাসপাতাল সমাজসেবা কার্যক্রম ও ্ইউনিয়ন পরিষদের কার্যক্রম সম্পর্কে ধারণা দেওয়া হয়। হাতের মোবাইল ফোনটিকে কীভাবে আয়বর্ধন ও সমস্যা সমাধানের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা যায় সে সম্পর্কে আলোকপাত করা হয়। অনুষ্ঠানটি আয়োজনে সার্বিকভাবে সহযোগিতা করেছে বেসরকারী উন্নয়ন সংস্থা ইনস্টিটিউট ফর এনভায়রনমেন্ট অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট (আইইডি) এবং শহীদ মাহবুব আলম ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশন।
জনউদ্যোগ আহ্বায়ক আবুল কালাম আজাদ বলেন, তথ্য নিয়ে যত বেশী নাড়াচাড়া হবে, আলোচনা হবে, তথ্যের ব্যবহার যতো বাড়বে. তাতে করে দুর্নীতির মাত্রাও কমবে। সরকার সুবিধা রেখেছে, কিন্তু সাধারণ মানুষ সে সম্পর্কে না জানার কারণে সুবিধা যেমন নিতে পারছে না, তেমনিভাবে সুবিধা পাইয়ে দেওয়ার নামে ঘটছে নানা অনিয়ম, দুর্নীতি। এজন্য সাধারণ মানুষকে জানতে হবে, জানাতে হবে। তবেই কমবে দুর্নীতি, নিশ্চিত হবে সুশাসন। একবিংশ শতাব্দির এই সময়ে যার কাছে তথ্য যতো বেশী, সে ততো ক্ষমতাশালী। তাকে ঠকানো কিংবা বোকা বানানো সহজ নয়।