কালীগঞ্জের এমপি আনার সাহেবকে আওয়ামীলীগের লোকজন ও তার আশপাশের বন্ধুরাই হত্যা করেছে। তিনি আওয়ামীলীগের আভ্যন্তরিন কোন্দলেই খুন হয়েছেন বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খান। তিনি আরও বলেন, আওয়ামীলীগের সাবেক ওই এমপিকে পার্শ্ববতী ভারতে নির্মমভাবে হত্যার পর তার লাশের অস্তিত্বও রাখেনি।
তিনি বলেন, কালীগঞ্জ মানেই মানুষ মনে করে চোরাকারবারী এলাকা। এখানে মাদকের বড় ব্যবসায়ী ও সেবনকারীও আছে। পাশাপাশি সামাজিক বন্ধনের অভাব ও মারামারিও আছে। এ উপজেলাকে মানুষ নেতিবাচক হিসাবে দেখে থাকেন। তিনি বলেন, কালীগঞ্জের এ বদনামকে আমরা ঘোচাতে চাই। এজন্য আপনারা সবাই পাশে থাকবেন বলে প্রতিশ্রুতি চান তিনি। রোববার দুপুরে ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ সরকারী নলডাঙ্গা ভ’ষন স্কুলে এসএসসিতে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ও মতবিনিময়ে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
সংবর্ধনা অনুষ্টানে রাশেদ খান শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বলেন, তোমাদের মধ্যে অনেকেই হয়ত কাঙ্খিত ফল পাওনি। এতে মন খারাপ না করে চেষ্টা চালিয়ে যেতে হবে। তিনি তার নিজের লেখাপড়ার কথা তুলে ধরে বলেন, আমিও এসএসসিতে জিপিএ-৫ পায়নি। কিন্তু, অসম চেষ্টাই পরবর্তীতে আমি এইচএসসিতে জিপিএ-৫ পেয়েছিলাম। তিনি শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার প্রতি মনযোগী ও তাদের বিদ্যালয়ের সকল চাহিদা পূরনে চেষ্টা করবেন বলে জানান।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মকবুল হোসেন তোতার সভাপতিত্বে মতবিনিময়ে আরো উপস্থিত ছিলেন, কালীগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাবেক সিনিয়র যুগ্ন আহবায়ক হামিদুল ইসলাম হামিদ, কালীগঞ্জ থানার ওসি জুলফিকার আলী, বিএনপির জৈষ্ঠ্য নেতা তবিবুর রহমান মিনি, ডাঃ নুরুল ইসলাম, ইসরাইল হোসেন জীবন, ইলিয়াস রহমান মিঠু, নজরুল ইসলাম তোতা, সামসুল ইসলাম, রেজাউল ইসলাম, নজরুল মোল্ল্যা, খোকা মিয়া লুৎফর রহমান লেন্টু, যুবদলের মাহবুবুর রহমান মিলন, আশরাফুজ্জামান লাল ও মিজানুর রহমানসহ বিদ্যালয়ের শিক্ষক শিক্ষিকা ও অভিভাবকবৃন্দ। সংবর্ধনা অনুষ্টানের মাধ্যমে রাশেদ খান শিক্ষার্থীদের হাতে সন্মাননার ক্রেষ্ট তুলে দেন।