কিশোরগঞ্জের বাজিতপুর উপজেলাটি একটি পৌরসভাসহ ১১টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত। এ উপজেলায় সাড়ে ৪ লক্ষ লোকের বসবাস। উপজেলাটিতে ১১১টি প্রাথমিক বিদ্যালয় থাকলেও ৭৭ জন ভারপ্রাপ্ত শিক্ষক দিয়ে চলছে প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলো। এর মধ্যে ৩৪ জন প্রধান শিক্ষক রয়েছেন। হাওড় এলাকার তিনটি ইউনিয়ন গুলো হচ্ছে হুমাইপুর, মাইজচর ও বলিয়ারদীর একাংশ বিদ্যালয়ে শিক্ষক সংকটের কারণে ক্ষুদে শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ার মান দিন দিন নিম্নের দিকে যাচ্ছে। সরকার স্কুল ফিডিং চালু করার কারণে এসব স্কুলে কিছুটা উপস্থিতি বাড়লেও শিক্ষার মান খুব একটা ভালো নয় এলাকাবাসীর অভিযোগ। সরেজমিন গিয়ে দেখা যায়, কোনো কোনো বিদ্যালয়ের শিক্ষক ২-৩ জন আবার কোনো কোনো বিদ্যালয়ে ৩-৪ জনের বেশি হবে না। বর্ষা মৌসুমে সঠিক সময়ে যোগাযোগের কারণে সহকারী শিক্ষক ও প্রধান শিক্ষকরা না পৌঁছার কারণে শিক্ষার্থীদের স্কুলে একেবারে অনাগ্রহ হয়ে উঠেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। বাজিতপুর ছাড়াও নিকলী উপজেলা সদর সহ প্রায় ইউনিয়নের প্রাথমিক বিদ্যালয় গুলোতে একই চিত্র লক্ষ্য করা গেছে। শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের বড় বড় নদী পাড় হয়ে তাদের স্কুলে পৌছার সঠিক সময়ে যেতে পারে না বলে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের অভিযোগ। বাজিতপুর উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা শাখাওয়াত হোসেন এ প্রতিবেদককে বলেন, বর্ষা মৌসুমের কারণে অনেক বিদ্যালয়ে শিক্ষকদের পৌঁছার বিষয়ে ত্রুটি থাকতে পারে বলে উল্লেখ করেন।