মিশরের ক্লাব আল আহলিকে ২-১ গোলে হারিয়ে ৬১তম ফেস্তা দেল গাম্পার এস্ত্রেয়া ড্যাম জিতে নিয়েছে বার্সেলোনা। ম্যাচের প্রথমার্ধে গোল করেন হামজা আবদেলকারিম ও রাফিনিহা। বিরতির পর আল আহলির হয়ে ব্যবধান কমান জিজো। ম্যাচের আগে ৫৪ হাজার ২২৪ দর্শকের সামনে ২০২৬/২৭ মৌসুমের দলকে আনুষ্ঠানিকভাবে পরিচয় করিয়ে দেওয়া হয়। কিক-অফের আগে সমর্থকদের উদ্দেশে বক্তব্য দেন কোচ হান্সি ফ্লিক ও অধিনায়কের দায়িত্বে থাকা রাফিনিহা। নতুন খেলোয়াড়দেরও উষ্ণ অভ্যর্থনা দেওয়া হয়। সবচেয়ে বেশি করতালি পান নতুন যোগ দেওয়া রদ্রি। চার বছর পর ক্যাম্প ন্যুতে অনুষ্ঠিত হলো গাম্পার। শুরু থেকেই ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের কাছে রাখে বার্সেলোনা। আল আহলিকে নিজেদের অর্ধে আটকে রাখে তারা। ২৯ মিনিটে গোলের দেখা পায় বার্সা। রাফিনহার সঙ্গে বল আদান-প্রদান করে বাঁ প্রান্ত দিয়ে বাইলাইনে পৌঁছে যান বালদে। সেখান থেকে মাঝখানে থাকা আবদেলকারিমকে বল বাড়িয়ে দেন তিনি। প্রথম স্পর্শেই বল জালে পাঠান মিশরীয় ফরোয়ার্ড। প্রাক-মৌসুমে এটি তার চতুর্থ গোল এবং ক্যাম্প ন্যুতে প্রথম। তবে সাবেক ক্লাবের বিপক্ষে গোল করায় উদযাপন করেননি তিনি। এরপর ব্যবধান বাড়ানোর আরও সুযোগ পেয়েছিল বার্সেলোনা। জাভি এসপারের একটি শট গোললাইন থেকে ক্লিয়ার করে দেন আল আহলির এক খেলোয়াড়। বিরতির ঠিক আগে অবশ্য ২-০ করে বার্সা। বক্সের মধ্যে আলগা বল পেয়ে দ্রুততম প্রতিক্রিয়া দেখিয়ে পেনাল্টি আদায় করেন রাফিনহা। এরপর স্পট কিক থেকে নিজেই গোল করেন ব্রাজিলিয়ান তারকা। বিরতির পর ৫১ মিনিটে পাল্টা আক্রমণ থেকে ম্যাচে ফিরে আসে আল আহলি। দুর্দান্ত নিয়ন্ত্রণের পর জিজো গোলরক্ষক হোয়ান গার্সিয়াকে পরাস্ত করে ব্যবধান ২-১ করেন। ৮৯ মিনিটে ম্যাচের শেষ বড় সুযোগ পায় বার্সেলোনা। গর্ডন পেনাল্টি আদায় করেন। কিন্তু স্পট কিক থেকে গোল করতে ব্যর্থ হন ইংলিশ ফরোয়ার্ড। তার শট ঠেকিয়ে দেন এল শেনাওয়ি। শেষদিকে আর কোনো গোল না হওয়ায় ২-১ ব্যবধানের জয় নিশ্চিত করে বার্সেলোনা।