জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টি করতেই বাসে আগুন ও ককটেল বিস্ফোরণ: ডিএমপি

এফএনএস
| আপডেট: ৮ নভেম্বর, ২০২৬, ০২:৪৯ পিএম | প্রকাশ: ৮ নভেম্বর, ২০২৬, ০২:৪৯ পিএম
জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টি করতেই বাসে আগুন ও ককটেল বিস্ফোরণ: ডিএমপি
ছবি: FNS

সাম্প্রতিক রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে ককটেল বিস্ফোরণ ও গণপরিবহনে অগ্নিসংযোগের ঘটনাগুলো জনমনে আতঙ্ক তৈরি এবং নাশকতার উদ্দেশে করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) এর মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মো. আকতার হোসেন 

আজ রোববার রাজধানীর মিন্টো রোডে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে এ তথ্য জানান তিনি।

ঘটনাগুলোর বিষয়ে ডিএমপির অবস্থান তুলে ধরে আকতার হোসেন বলেন, ককটেল বিস্ফোরণ ও যানবাহনে আগুনের প্রতিটি ঘটনা পুলিশ নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ ও তদন্ত করছে। ইতিমধ্যে এসব ঘটনার সাথে জড়িত কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, যাদের মধ্যে নিষিদ্ধ ঘোষিত বিভিন্ন সংগঠন ও অঙ্গ-সংগঠনের সদস্যরা রয়েছে।

পুলিশের এই কর্মকর্তা জানান, সার্বিক বিষয় পর্যালোচনা করে স্পষ্ট যে, একটি নির্দিষ্ট গোষ্ঠী উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে নাশকতা ও আতঙ্ক ছড়াতে এসব কাজ করছে। গোয়েন্দা তথ্যের ওপর ভিত্তি করে ডিএমপির অপারেশনাল কার্যক্রম ও পুলিশ মোতায়েন জোরদার করা হয়েছে। জননিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে এবং আতঙ্ক দূর করতে ডিএমপির মোবাইল পার্টি ও পিকেট ডিউটির পাশাপাশি কড়া নজরদারি বজায় রাখা হয়েছে।

ককটেল তৈরির উপাদানগুলো কোথায় বানানো হচ্ছে এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি আরও বলেন, এর আগেও ককটেল তৈরির উপাদান ও বিস্ফোরকদ্রব্যসহ বেশ কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করেছে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। নাশকতার উদ্দেশে পেট্রোল পাম্প বা অন্য কোথাও থেকে দাহ্য পদার্থ কেনাবেচা হচ্ছে কি না, তা মনিটর করা হচ্ছে। সিসিটিভি ফুটেজ পর্যবেক্ষণ ও বিশ্লেষণ করে কারা নাশকতার উদ্দেশে এসব দাহ্য পদার্থ সংগ্রহ করছে, তাদের শনাক্ত করতে ডিএমপির অভিযান ও কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।

আপনার জেলার সংবাদ পড়তে