জাতীয় গ্রিডে সামিটের এলএনজি সরবরাহ ৪ দিন পর ফের শুরু

এফএনএস প্রতিবেদক: | প্রকাশ: ৭ নভেম্বর, ২০২৬, ০৬:৩৭ পিএম
জাতীয় গ্রিডে সামিটের এলএনজি সরবরাহ ৪ দিন পর ফের শুরু
ছবি: FNS

কক্সবাজারের মহেশখালীতে সামিট এলএনজি টার্মিনালের রক্ষণাবেক্ষণ কাজ শেষে প্রায় ৪ দিন পর আবারও জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ শুরু হয়েছে।

শনিবার (৭ নভেম্বর) দুপুর ১টা থেকে টার্মিনালটিতে আমদানি করা তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসকে (এলএনজি) গ্যাসে রূপান্তরের কার্যক্রম শুরু হয়েছে বলে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে পেট্রোবাংলা।

এতে বলা হয়, রক্ষণাবেক্ষণ কাজ শেষ হওয়ায় মহেশখালীর দুটি এলএনজি টার্মিনাল থেকেই আগের মতো জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ করা হচ্ছে।

এসময় সহযোগিতার জন্য গ্রাহকদের ধন্যবাদ জানিয়েছে পেট্রোবাংলা।

এর আগে সামিট এলএনজি টার্মিনালে জরুরি রক্ষণাবেক্ষণ কাজের জন্য বুধবার (৪ নভেম্বর) সকাল ৮টা থেকে ৭ নভেম্বর বিকাল ৪টা পর্যন্ত গ্যাস রূপান্তরের কার্যক্রম বন্ধ রাখার ঘোষণা দিয়েছিল সংস্থাটি।

ওই সময় জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ ২ হাজার ৫৭০ মিলিয়ন ঘনফুট থেকে কমে ২ হাজার ২৫০ মিলিয়ন ঘনফুটে নামতে পারে বলে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছিল। তবে বুধবার সকাল ৮টায় রক্ষণাবেক্ষণ কাজ শুরুর পর সকাল ১০টায় জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহের পরিমাণ ছিল ২ হাজার ৭৯ মিলিয়ন ঘনফুট। এর মধ্যে দেশীয় গ্যাসক্ষেত্র থেকে ১ হাজার ৫৬৫ মিলিয়ন ঘনফুট এবং আমদানি করা এলএনজি থেকে ৫১৪ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ হচ্ছিল।

অর্থাৎ, ওই সময় মোট সরবরাহ করা গ্যাসের পরিমাণ ছিল পেট্রোবাংলার পূর্বাভাসের চেয়েও ১৭১ মিলিয়ন ঘনফুট কম।

দেশে আমদানি করা এলএনজি সরবরাহের জন্য মহেশখালীতে দুটি ভাসমান টার্মিনাল রয়েছে। একটি পরিচালনা করে সামিট গ্রুপ, অন্যটি যুক্তরাষ্ট্রের এক্সিলারেট এনার্জি।

সামিটের টার্মিনালের দৈনিক গ্যাস সরবরাহের সক্ষমতা ৫০০ মিলিয়ন ঘনফুট। আর এক্সিলারেট এনার্জির টার্মিনালের সক্ষমতা ৬০০ মিলিয়ন ঘনফুট। দুটি টার্মিনালের সম্মিলিত সক্ষমতা দৈনিক ১ হাজার ১০০ মিলিয়ন ঘনফুট।

পেট্রোবাংলা জানিয়েছে, এর আগে ২০২৫ সালের ডিসেম্বরেও সামিটের টার্মিনালে একই ধরনের রক্ষণাবেক্ষণ কাজ করা হয়েছিল।

আপনার জেলার সংবাদ পড়তে