নীলফামারীর সৈয়দপুর রেলওয়ে স্টেশনের অবকাঠামো উন্নয়নে সংস্কার ও আধুনিকায়নের কাজ করা হলেও দুই নম্বর প্ল্যাটফর্মে নির্মাণ করা হয়নি যাত্রী ছাউনি। ফলে রোদ-বৃষ্টি উপেক্ষা করে খোলা আকাশের নিচে দাঁড়িয়ে ট্রেনের জন্য অপেক্ষা করতে হচ্ছে যাত্রীদের। এতে নারী, শিশু ও বয়স্ক যাত্রীদের দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে বেশি।
সৈয়দপুর একটি প্রাচীন রেলওয়ে স্টেশন। দেশের বৃহত্তম রেলওয়ে কারখানা এ শহরে অবস্থিত। ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসার, সড়ক, রেল ও আকাশপথে যোগাযোগের কারণে সৈয়দপুরের গুরুত্বও রয়েছে বেশ। প্রতিদিন বিভিন্ন গন্তব্যে যাতায়াতের জন্য এ স্টেশন ব্যবহার করেন অসংখ্য যাত্রী।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, প্রায় কোটি টাকা ব্যয়ে সৈয়দপুর রেলওয়ে স্টেশনের সংস্কার ও আধুনিকায়ন করা হয়েছে। এ সময় প্ল্যাটফর্ম নির্মাণ, সীমানাপ্রাচীর, উন্নতমানের বৈদ্যুতিক বাতি স্থাপনসহ বিভিন্ন অবকাঠামোগত উন্নয়ন করা হয়। তবে এক নম্বর প্ল্যাটফর্মে যাত্রী ছাউনি থাকলেও দুই নম্বর প্ল্যাটফর্মটি এখনো ছাউনিবিহীন রয়েছে।
ফলে দুই নম্বর প্ল্যাটফর্মে ট্রেনের জন্য অপেক্ষমাণ যাত্রীদের প্রচণ্ড রোদ ও বৃষ্টির মধ্যে চরম ভোগান্তিতে পড়তে হয়। বিশেষ করে বৃষ্টির সময় নিরাপদ আশ্রয়ের অভাবে যাত্রীদের দাঁড়িয়ে থাকা কিংবা অন্যত্র সরে যাওয়ার চেষ্টা করতে হয়। নারী, শিশু ও বয়স্কদের জন্য এ পরিস্থিতি আরও কষ্টকর হয়ে ওঠে। সৈয়দপুর রেলওয়ে স্টেশনের স্টেশনমাস্টার ওবায়দুল হক রতন বলেন,দুই নম্বর প্ল্যাটফর্মে যাত্রী ছাউনি নির্মাণ করা অত্যন্ত জরুরি। যাত্রীরা রোদ-বৃষ্টিতে খোলা প্ল্যাটফর্মে অপেক্ষা করেন। এতে তাঁদের দুর্ভোগ পোহাতে হয়। বিশেষ করে নারী যাত্রীরা বেশি সমস্যায় পড়েন। কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব) সৈয়দপুর উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল ইসলাম বলেন, যাত্রীদের দুর্ভোগ লাঘবে সৈয়দপুর রেলওয়ে স্টেশনের দুই নম্বর প্ল্যাটফর্মে দ্রুত যাত্রী ছাউনি নির্মাণ করা প্রয়োজন। রেলওয়ে স্টেশনের আধুনিকায়নের পাশাপাশি যাত্রীদের মৌলিক সুবিধা নিশ্চিত করাও জরুরি। যাত্রীদের দুর্ভোগ কমাতে সংশ্লিষ্ট রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ দ্রুত দুই নম্বর প্ল্যাটফর্মে যাত্রী ছাউনি নির্মাণের উদ্যোগ নেবে এমন প্রত্যাশা স্থানীয়দের।