জমকালো আয়োজন ও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ফাইনাল ম্যাচের মধ্য দিয়ে শেষ হলো চাঁদপুর জেলা পুলিশ আয়োজিত ‘১ম কমিউনিটি পুলিশ কাবাডি চ্যাম্পিয়নশিপ-২০২৬’। প্রতিযোগিতার চূড়ান্ত লড়াইয়ে শাহরাস্তি থানাকে বিশাল ব্যবধানে হারিয়ে পুরুষ বিভাগে চাঁদপুর সদর থানা এবং হাইমচর থানাকে টানটান উত্তেজনার ম্যাচে হারিয়ে নারী বিভাগে ফরিদগঞ্জ থানা চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করেছে। শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) বিকেলে চাঁদপুর জেলা পুলিশ লাইন্স মাঠে উৎসবমুখর ও আনন্দঘন পরিবেশে ফাইনাল খেলা এবং জমকালো পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত হয়। টুর্নামেন্টে পুরুষ বিভাগে ৮টি এবং নারী বিভাগে ৪টি থানা দল প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে।
ফাইনালের মহারণে পুরুষ বিভাগে চাঁদপুর সদর থানা ৭০-২৪ পয়েন্টের বিশাল ব্যবধানে শাহরাস্তি থানাকে ধরাশায়ী করে। অন্যদিকে নারী বিভাগে হাইমচর থানাকে ২৪-২১ পয়েন্টের তীব্র প্রতিদ্বন্দিতাপূর্ণ লড়াইয়ে হারিয়ে শিরোপা ছিনিয়ে নেয় ফরিদগঞ্জ থানা। খেলা শেষে বিজয়ী ও বিজিতদের মাঝে প্রধান অতিথি হিসেবে মেডেল ও ট্রফি তুলে দেন চাঁদপুর জেলা পুলিশের পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমান। তিনি স্বশরীরে উপস্থিত থেকে দুটি ফাইনাল ম্যাচই উপভোগ করেন এবং খেলোয়ারদের উৎসাহিত করেন। পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমান বলেন, “বাংলাদেশ পুলিশ প্রধানের (আইজিপি) নির্দেশনায় ক্রীড়াচর্চার মাধ্যমে যুবসমাজকে মাদক, কিশোর গ্যাং এবং অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড থেকে দূরে রাখার লক্ষ্যে এই আয়োজন। খেলাধুলা পুলিশ ও সাধারণ জনগণের মধ্যকার দূরত্ব কমিয়ে পারস্পরিক আস্থা বাড়াতে ভূমিকা রাখবে।”
তিনি আরও জানান, এই টুর্নামেন্ট থেকে প্রতিভাবান নারী ও পুরুষ কাবাডি খেলোয়াড়দের বাছাই করে বিশেষ প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হবে, যেন বিভাগীয় পর্যায়ে চাঁদপুরের প্রতিনিধিত্ব করার জন্য একটি শক্তিশালী ও দক্ষ দল গঠন করা যায়। অনুষ্ঠানে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) নাদিরা নূর, সহকারী পুলিশ সুপার (শিক্ষানবিশ) মিয়াজী আলিফ ইমরান, ফরিদগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ এরশাদ উল্লাহ, হাইমচর থানার অফিসার ইনচার্জ শাহ আলমসহ বিভিন্ন থানার পুলিশ কর্মকর্তা। এছাড়া আরো উপস্থিত ছিলেন হাইমচর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মাজহারুল ইসলাম শফিক, চাঁদপুর সদর থানার সেকেন্ড অফিসার ফেরদৌস আলম, এসআই গাজী কালাম,ফরিদগঞ্জ থানার এসআই ফারুক, ফরিদগঞ্জ উপজেলা বিএনপি নেতা টুটুল পাটওয়ারী, ইকবাল পাটওয়ারী, দীপু ও স্থানীয় গণমান্য ব্যক্তিবর্গ।